10Mar/16

উদ্যোগ্তাদের করনীয়……..। প্রাথমিক তহবিল আমার।

032710Pic-21_Fotor_Fotor

 সরকারি,বেসরকারি বা আন্তর্জাতিক কোন অর্থনৈতিক সাহায্য সহায়তার প্রয়োজন নেই,প্রয়োজন কিছু পরামর্শ ও কৃষকের নিরাপত্তার আকাঙ্খা। লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি,শিগ্রই পেশাদার দিয়ে ঠিক করবো। আইডিয়াটি বাস্তবায়নে জরিপ চলছে ব্যাক্তিগত প্রচেষ্টায় অর্থাৎ এটি আমার দাতব্য প্রকল্প।

যা করতে চাচ্ছি – কৃষক, খুচরা বিক্রয়কারি ও ভোক্তাকে এক সুতায় বাধবো। আধুনিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন কে আমরা কাজে লাগাতে একটি লাভহীন পরীক্ষামুলক প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছি।  দেশের ৪৮৯টি উপজেলার ৪৫৫০টি ইউনিয়নের জন্য স্বতন্ত্র ওয়েব সাইট তৈরি করবো বাংলাদেশ সরকারের তথ্য বাতায়নের অনুরুপ তবে আরো বেশি কৃষক তথ্য নির্ভরশীল। প্রতি উপজেলার প্রতি ইউনিয়নের কৃষকের ফসল যখন থাকবে ক্ষেতে,একই সময় থাকবে সেই ইউনিয়নের ওয়েব সাইটে।সেই ওয়েব সাইটে থাকবে ফ্রি ভিডিও কলের সুবিধা।যখন ফসল বাজার জাত বা কাটার সময় হবে তখন ওয়েব সাইটেই জানানো হবে।কৃষি পন্য উপস্হাপন এর জন্য সেখানে মুল্য সহ সকল বিবরন থাকবে।স্হানিয় বেকার সৎ পরিশ্রমি ব্যাক্তি কৃষকদের পন্য কৃষকদের সমন্নয়ে তা পরিচালিত করব।যোগাযোগের জন্য ভাইবার,লাইন,হোয়াট্স আপ ইত্যাদি ব্যাবহার করবে।মাঠ বা খেত থেকে পন্য না তুলেই দেশের বিভিন্ন আড়তদারদের সাথে অথবা খুচরা বিক্রয়কারির সাথে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে বিক্রয় করবে।ধিরে ধিরে বিশ্বস্হতা বাড়বে।     ভিডিও কলের মাধ্যমে ক্ষেতে পন্য দেখে মুল্য নির্ধারন করে পন্য ক্রয় করবো।কিছু করতে চাই বাংলাদেশের জন্য,আমার জন্মভূমির জন্য।প্রাথমিক তহবিল আমার এবং অবশ্বই দাতব্য তবে বাংলাদেশের কৃষক ও ভোক্তা শ্রেনীর অত্যন্ত লাভজনক।প্রকল্পটির  প্রাথমিক ৫০ লক্ষ টাকা আনুমানিক ।প্রাথমিক পন্য ক্রয়কারিদের প্রয়োজনে ১০,০০০টাকা পন্য ক্রয়ে দেয়া হবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে।সুদবিহীন ফেরতযোগ্য।  সকলের মতামত ও সচেতনদের অংশগ্রহন কাম্য। আমি নিজের ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ক্ষমতায় কাজ করতে চাই,কাজ করাতে চাই।একটি নিয়ম তৈরি করতে চাই।কৃষকের মেরুদন্ড মজবুত করে ভোক্তা শ্রেনীকে ন্যায্য মুল্যে ও তরতাজা ভ্যেজালবিহীন খাদ্য পন্যে পরিপূর্ন পুষ্টি দিতে চাই।গুটিকতক মধ্যস্হভোগীর জাল থেকে আমরা মুক্ত হতে চাই। ১৭ কোটি জনতার দেশ একটি বিশাল শক্তি।প্রয়োজন সমন্নয়।তাই নেটের মাধ্যমে নিজের মেধা সময় অর্থ দিয়ে দেশর মানুষের জন্য কিছু করবো।সেই চেষ্টার অংশ এই ধারনা ।এখানে কারো কোন অর্থ ব্যায়ের প্রয়োজন পরবে না।কাচাবাজারের উর্ধমুল্য ও ভ্যেজাল সব্জি,চাল,ডাল,মাছ,মাংশ,ফল কেনার মতো সময়ের অপচয়ও হবে না।প্রয়োজন একটু ধের্য ও পরিবারকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষার ভালোবাসা।

একটি সত্য কথা হলো….

সরকার কৃষি বিষয়ে অত্যন্ত আন্তবিক তবে কৃষি পন্য উৎপাদন ও কৃষকদের ঋন বিষয়ে যতটা আন্তরিক,কৃষি পন্য বিক্রয়ে কেউ তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না।সঠিক দামে পন্য যদি কৃষক বিক্রয় করতে না পারে এবং ভোক্তারাও যদি ভেজালমুক্ত ও অল্প দামে পন্য না পায় তবে বাড়তি উৎপাদন ও ঋনের সুবিধায় কৃষক ভোক্তা কোনো গোষ্ঠিই লাভবান হয় না।লাভবান হয় গুটিকত মধ্যস্হকারিরাই।তাই আমি বা আমরা এ প্রকল্প করবোই ইনশাআল্লাহ্।

বর্তমান বাজার ব্যাবস্হা – ফসল উৎপাদন করে কৃষক।তাদের কাছ থেকে পন্য কেনেন বিভিন্ন বেপারিরা।বেপারিরা সেইপন্য নিয়ে শহরের আড়তে বিক্রি করেন।আড়তদাররা সেই পন্য পাইকারি বিক্রি করেন বিভিন্ন কাচা বাজারের খুরচা বিক্রেতাদের নিকট।খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে আমরা ভোক্তারা সেই পন্য কিনে রান্না ঘরে পৌছে দেই।

উর্ধমুল্য ও ভ্যেজাল রোধে আইন বা আন্দোলন করে কিছুই সমাধান হয়নি হবেও না।কিছুদিন সবাই মিডিয়ায় মুখ দেখানোর প্রতিযোগীতায় ব্যাস্ত থাকে….এই যা। ভোক্তারা ভাবে প্রতিবাদ করে সমাজের হাসির পাত্র হবো কেনো।আইনি বাহিনী ভাবে আমার সংস্হার অপর জন ঘুস খেয়ে মেনে নেয়,আমি একা কি করবো।ইত্যাদি ইত্যাদি………বৈধ অবৈধ কাজ করার পক্ষে সবারই অনেক অনেক কারন বা যুক্তি ছিলো,আছে,থাকবে।

দেশের  প্রতি ইউনিয়নে, ওয়ার্ডে একজন করে, কৃষকের পন্য বিক্রয়ের উদ্যোগ্তার করনিয়

বাংলাদেশের যে কোনো ইউনিয়নের যে কোন ওয়ার্ড থেকে একজন করে পরিশ্রমি কৃষিপ্রেমি মানুষ প্রয়োজন যিনি মুলধন ছারা ব্যাবসা করবেন এবং নিজের এলাকায় থেকেই সারা বাংলাদেশে।প্রয়োজন একটি নেট ও ফ্রি ভিডিও কল সংযোগ সমৃদ্ধ মোবাইল ফোন।চলাচলের জন্য একটি সাইকেল থাকলে ভালো হয়। প্রথমিক অবস্হায় যে ভাবে শুরু করবেন –

১।এলাকার ফসলের ক্ষেত দেখবেন,উত্তোলনের সময় ও বিক্রয়মুল্য জানবেন,অল্প পরিমানে (৮-১০ মন,বা ৫-৬ হাজার টাকা সমতুল্য পন্য বাসের ছাদে বা কোন ট্রাকের কিছু অংশে পরিবহন করবেন) বিক্রয় প্রকৃয়া শুরু করবেন।নিজ যোগ্যতায় পরিধি ও পরিমান বাড়বেই।প্রয়োজনে কৃষকের পন্যমুল্য প্রথম কদিন আমরা দেবো যা আপনি আমাদের ফেরত দেবেন।

২।জেলার বড় বিক্রয়কেন্দ্র, জেলা শহর,বিভাগিয় শহর বা দেশের যে কোন আড়তদারদের সাথে যোগাযোগ করে ভিডিও কলের মাধ্যমে ক্ষেতেই পন্য দেখাবেন,একমত হলে মুল্য নির্ধারন করে পন্য পাঠানোর ব্যাবস্হা করবেন।

৩।ক্রয়কারির শহরের যে কোন কাছাকাছি স্হানে পন্য পরিবহন থেকে নামিয়ে ক্রয়কারির ভ্যানে পন্য বুঝিয়ে দিয়ে পন্যমুল্য বুঝে নিয়ে নিজ উৎপাদন এলাকায় চলে আসবেন।পন্য পরিবহন ও একজনের যাতায়াত ব্যায় ক্রয়কারির বহন করবেন।এখানে একজন লোকও নিয়োগ দেয়া যেতে পারে

৪।

দেশের  প্রতি আড়তের  আড়তদারদের, সরাসরি কৃষি ক্ষেত থেকে পন্য কেনার উদ্যোক্তার করনিয়

 আড়তদারেরাতো………….ক্ষেতের পর ক্ষ ত দেখবেন…………..সব্জি কাটা দেখবেন………………..ট্রকের পর ট্রাক ভরা দেখবেন………………..আর আড়তে এনে বিক্রি করবেন……

দেশের  প্রতি বাজারের প্রকৃত বিক্রয়কারি, সরাসরি কৃষি ক্ষেত থেকে পন্য কেনার  উদ্যোক্তার করনিয়

৫ জন ১০ জন বা অধিক বিক্রেতাগন একত্রিত হয়ে প্রতিদিনের পন্য আগের দিন বিকেলে ক্যেমেরার সরাসরি পন্য দেখে অর্ডার করবেন পরবর্তি দিন সন্ধায় পন্য বুঝে নিয়ে মুল্য পরিশোধ করবেন।অর্থাৎ শুক্রবার সকালে যে পন্য বিক্রয় করবেন তার অর্ডার বুধবার বিকেলে করে বৃহস্পতিবার বিকেলেই পন্য হাতে পাবেন ।অর্থাৎ সেই সব্জি ক্ষেত থেকে তোলা হবে বৃহস্পতিবার যা শুক্রবারের ক্রেতারা ক্রয় করবেন।তবে স্বরন থাকবে যে খুচরা বিক্রয়মুল্য কখনোই যেনো ক্রয়মুল্যের ৩০% বিক্রয়মুল্যের বেশি না হয়।  আরো ভালো আইডিয়া হয়তো পরবর্তিতে গ্রহন করবো।

 পরবর্তিতে ভাববো –

তবে শর্ত এই যে পন্য মুল্য নির্ধারন করবে কৃষক ও ক্রয়কারি।এই মুল্যের ৫% কৃষক থেকে এবং ৫% পাবেন ক্রয়কারির কাছ থেকে%  তদারককারি।যেমন – কৃষকের ১০০০০ হাজার টাকার পন্য বিক্রয় হলে কৃষক পাবেন ৯৫০০টাকা।ক্রয়কারি ১০০০০টাকার পন্য ক্রয় করলে ক্রয়কারি প্রদান করবেন % বেশিতে ১০৫০০টাকা।অর্থাৎ ১০০০০টাকার পন্য ক্রয় বিক্রয়ে তদারককারি পাবে ১০০০টাকা এবং এখান থেকে ২% (২০০) রাখবে ওয়েব রক্ষনাব্যাক্ষন ও কৃষক ও এলাকা উন্নয়ন ব্যায়ে।।এই (% হিসাবটি অবস্হান ও পন্য ভেদে পরিবর্তনশীল) যে কোন এন্ড্রয়েড ফোন ব্যাবহারকারি যে কোন বেকার সৎ পরিশ্রমি  ব্যাক্তি আড়তদার ও কৃষকের যোগসুত্র তৈরি করা ও বিক্রয় প্রতিনিধি হওয়ার মানসে আমাদের কাছে আবেদন করতে পারবেন।নিজের যোগ্যতা কর্মঠতা এবং আমাদের সহায়তায় একজন যোগাযোগ রক্ষাকারি ব্যাক্তি গড়ে দৈনিক ১০০০০টাকার ফসল এলাকায় বসেই বাংলাদেশের যে কোন আড়ত বা খুচরা বিক্রয়কারিদের কাছে বিক্রয় করতে পারবেন। আয় হবে মাসিক ২০ -২৪ হাজার টাকা ।শুধু সেই এলাকার পন্য বাজারজাত করাই নয়,এলাকার প্রয়োজনে অন্য এলাকার পন্যও নিজ এলাকায় বাজারজাত করতে পারবেন।যেমন –

দেশের  প্রতি আবাসিক এলাকায়  ভোক্তা সমাজেও, সরাসরি কৃষি ক্ষেত থেকে পন্য কেনার উদ্যোগ্তার করনিয়

শুধু কৃষকদের সমন্নয় নয় নগর জীবনে আমরা ভোক্তারাও একটি কমিউনিটি করতে পারি।সেখানে ১০ ২০ টি পরিবার একত্রিত হয়ে কৃষক থেকে সরাসরি পন্য ক্রয় করতে পারি।এতে দাম কম পরবে আবার তরতাজা ও ভেজাল বিহিন পন্যও পাওয়া যাবে।এই অবস্হায় ১০টি বা অধিক পরিবার একত্রিত হবেন ।একটি কমিউনিটি করবেন। কৃষক পর্যায়ের হোমপেজ থেকে পন্য পছন্দ করে অর্ডার করবেন।ফ্রি ভিডিও কলের মাধ্যমে। প্রয়োযনে ফসলের ক্ষেতে ফসল পছন্দ করবেন।বিশ্বস্হতার গ্যারান্টি ওয়েব সাইট দেবে।আমাদের মুল উদ্দেশ্ব কৃষকের লাভ এবং ভোক্তাদের ন্যায্যমুল্যে তরতাজা পন্য সরবরাহ।মনে রাখতে হবে অনেক সময় পন্যের আকৃতি মনমতো নাও হতে পারে তবে পন্যের মানের তারতম্য হবে না এবং মুল্য আরো কম হবে ইনশাআল্লাহ্। পন্য বুঝে নিয়ে মুল্য পরিশোধ করবেন।১০টি বা অধিক পরিবারের ৭ দিনের পন্যতে পরিবহন ব্যায়ও কম হবে।পরিবহন বিষয়টি হবে –

এই কমিউনিটি যে পরিবার মেনটেন করবেন, তিনি প্রতিবারের পন্যে ১০% টাকা বেশি প্রতি পরিবার থেকে গ্রহন করবেন শ্রম ও সময় মুল্য হিসাবে।কেউ যেনো মধ্যস্হভোগীর মত উর্ধলাভে জরিয়ে না পরে তার জন্য এই ১০% লাভ বা শ্রমমুল্য নির্ধারিত।

08Mar/16
P1010893

ভ্যেজালে পঙ্গু হচ্ছে জাতি।নিজে বাচুন পরিবার বাচান।


লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি,শিগ্রই পেশাদার দিয়ে ঠিক করবো। আইডিয়াটি বাস্তবায়নে জরিপ চলছে ব্যাক্তগত প্রচেষ্টায়।ঢাকা এবং অপর যে কোন একটি জেলা শহরে দুটি আধাপেশাধারি দল তৈরি করে মাঠে নামবো শিগ্রই ইনশাআল্লাহ্।এটা আমার বা আমাদের স্বেচ্ছাসেবী প্রকল্প।ব্যবহারে ব্যবসায়িক,সামাজিক,পারিবারিক লাভবান হবেন আপনারা

ভ্যেজালে পঙ্গু হচ্ছে জাতি,আপনার আমার পরিবার

সমাধান আমার আপনার জানালায়

ঢাকার চারপাশের জেলার কথা না হয় নাই বললাম।ঢাকার অন্তরভুক্ত থানা গুলোতে (সাভার,ধামরাই,কেরানিগঞ্জ) যে সব্জি উৎপাদন হয় তা ঢাকার মেট্রোপলিটান বাজারে প্রতিদিন বিক্রি হয় নুন্যতম ৩ গুন দামে।অর্থাৎ সাভারের ২০ টাকা কেজির  কাচামরিচ ঢাকার মেট্রোপলিটান বাজারে বিক্রি হয় নুন্যতম ৬০ টাকা কেজিতে।অতএব বুঝা গেলো যে – কৃষক যেমন সঠিক দাম পাচ্ছেন না আবার ভোক্তারাও অতিরিক্ত মুল্যে পন্য কিনতে বাধ্য হচ্ছে।মাঝখান থেকে লাভ নিয়ে যাচ্ছে।এতো গেলো উর্ধমুল্যের বিষয়।এবার বলি ভ্যেজাল ভ্যেজাল ও ভ্যেজাল বিষয়ে -‘ঢাকায় ৭০ শতাংশ, দেশে ৫০ শতাংশ খাদ্যদ্রব্য ভেজাল।’ বাংলাদেশ, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ভেজালমুক্ত বিশুদ্ধ খাদ্য অনেকটা সোনার হরিণের মতো দুর্লভ। মাছ, মাংস, চাল, ডাল, আটা, লবণ, তেল, ঘি, দুধ, চিনি, চা, মিষ্টি, ওষুধ, মধু, মসলা ইত্যাদি ভেজাল সর্বত্রই এমনকি মিনারেল ওয়াটার নামে বোতলবন্দি ‘বিশুদ্ধ’ পানিতেও ভেজাল।

সরকার কৃষি বিষয়ে অত্যন্ত আন্তবিক তবে কৃষি পন্য উৎপাদন ও কৃষকদের ঋন বিষয়ে যতটা আন্তরিক,কৃষি পন্য বিক্রয়ে কেউ তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না।সঠিক দামে পন্য যদি কৃষক বিক্রয় করতে না পারে এবং ভোক্তারাও যদি ভেজালমুক্ত ও অল্প দামে পন্য না পায় তবে বাড়তি উৎপাদন ও ঋনের সুবিধায় কৃষক ভোক্তা কোনো গোষ্ঠিই লাভবান হয় না।লাভবান হয় গুটিকত মধ্যস্হকারিরাই।তাই আমি বা আমরা এ প্রকল্প করবোই ইনশাআল্লাহ্।

আপনার জানালায় (ফ্রি ভিডিও কল) দেখে নিন (একটু ভুমিকা বলি) –

প্রতি জেলা,উপজেলা ও প্রতি ইউনিয়নের জন্য আলালা আলাদা ওয়েব সাইট ৪৪৮৪টি করবো ইনশাআল্লাহ্ ।  ঢাকার চারপাশের জেলার কথা না হয় নাই বললাম।ঢাকার অন্তরভুক্ত থানা গুলোতে (সাভার,ধামরাই,কেরানিগঞ্জ) যে সব্জি উৎপাদন হয় তা ঢাকার মেট্রোপলিটান বাজারে প্রতিদিন বিক্রি হয় নুন্যতম ৩ গুন দামে।অর্থাৎ সাভারের ২০ টাকা কেজির  কাচামরিচ ঢাকার মেট্রোপলিটান বাজারে বিক্রি হয় নুন্যতম ৬০ টাকা কেজিতে।অতএব বুঝা গেলো যে – কৃষক যেমন সঠিক দাম পাচ্ছেন না আবার ভোক্তারাও অতিরিক্ত মুল্যে পন্য কিনতে বাধ্য হচ্ছে।মাঝখান থেকে লাভ নিয়ে যাচ্ছে।এতো গেলো উর্ধমুল্যের বিষয়।এবার বলি ভ্যেজাল ভ্যেজাল ও ভ্যেজাল বিষয়ে –‘ঢাকায় ৭০ শতাংশ, দেশে ৫০ শতাংশ খাদ্যদ্রব্য ভেজাল।’ বাংলাদেশ, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ভেজালমুক্ত বিশুদ্ধ খাদ্য অনেকটা সোনার হরিণের মতো দুর্লভ। মাছ, মাংস, চাল, ডাল, আটা, লবণ, তেল, ঘি, দুধ, চিনি, চা, মিষ্টি, ওষুধ, মধু, মসলা ইত্যাদি ভেজাল সর্বত্রই এমনকি মিনারেল ওয়াটার নামে বোতলবন্দি ‘বিশুদ্ধ’ পানিতেও ভেজাল।

ভোক্তা শ্রেনী জানালায় (ফ্রি ভিডিও কল) দেখে যা করবেন

এই অবস্হায় ১০টি বা অধিক পরিবার একত্রিত হবেন ।একটি কমিউনিটি করবেন। কৃষক পর্যায়ের হোমপেজ থেকে পন্য পছন্দ করে অর্ডার করবেন।ফ্রি ভিডিও কলের মাধ্যমে। প্রয়োযনে ফসলের ক্ষেতে ফসল পছন্দ করবেন।বিশ্বস্হতার গ্যারান্টি ওয়েব সাইট দেবে।আমাদের মুল উদ্দেশ্ব কৃষকের লাভ এবং ভোক্তাদের ন্যায্যমুল্যে তরতাজা পন্য সরবরাহ।মনে রাখতে হবে অনেক সময় পন্যের আকৃতি মনমতো নাও হতে পারে তবে পন্যের মানের তারতম্য হবে না এবং মুল্য আরো কম হবে ইনশাআল্লাহ্। পন্য বুঝে নিয়ে মুল্য পরিশোধ করবেন।১০টি বা অধিক পরিবারের ৭ দিনের পন্যতে পরিবহন ব্যায়ও কম হবে।পরিবহন বিষয়টি হবে –

এই কমিউনিটি যে পরিবার মেনটেন করবেন, তিনি প্রতিবারের পন্যে ১০% টাকা বেশি প্রতি পরিবার থেকে গ্রহন করবেন শ্রম ও সময় মুল্য হিসাবে।কেউ যেনো মধ্যস্হভোগীর মত উর্ধলাভে জরিয়ে না পরে তার জন্য এই ১০% লাভ বা শ্রমমুল্য নির্ধারিত।

বাজারের খুচরা বিক্রেতারা জানালায় (ফ্রি ভিডিও কল)  যেভাবে ক্রয় করবেন-

৫ জন ১০ জন বা অধিক বিক্রেতাগন একত্রিত হয়ে প্রতিদিনের পন্য আগের দিন বিকেলে ক্যেমেরার সরাসরি পন্য দেখে অর্ডার করবেন পরবর্তি দিন সন্ধায় পন্য বুঝে নিয়ে মুল্য পরিশোধ করবেন।অর্থাৎ শুক্রবার সকালে যে পন্য বিক্রয় করবেন তার অর্ডার বুধবার বিকেলে করে বৃহস্পতিবার বিকেলেই পন্য হাতে পাবেন ।অর্থাৎ সেই সব্জি ক্ষেত থেকে তোলা হবে বৃহস্পতিবার যা শুক্রবারের ক্রেতারা ক্রয় করবেন।তবে স্বরন থাকবে যে খুচরা বিক্রয়মুল্য কখনোই যেনো ক্রয়মুল্যের ৩০% বিক্রয়মুল্যের বেশি নাহয়।  আরো ভালো আইডিয়া হয়তো পরবর্তিতে গ্রহন করবো।

আড়তদারেরা জানালায় (ফ্রি ভিডিও কল)  যেভাবে ক্রয় করবেন –

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কৃষিপন্যে বাড়তি দাম ও ভ্যেজাল মিশ্রন একটি স্বাভাবিক বিষয়।পক্ষান্তরে কৃষকও ন্যায্য দাম পায় না।লাভ নিয়ে যায় মধ্যস্তকারিরা।আধুনিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন কে আমরা কাজে লাগাতে একটি লাভহীন প্রকল্প পরীক্ষামুলক শুরু করতে যাচ্ছি।প্রাথমিক অবস্হায় সারাদেশে ৫০টি ওয়েব সাইট এলাকা ভিত্তিক নির্মান করবো কৃষি পন্য উপস্হাপন এর জন্য(প্রতিটি জেলায় নয়)।সেখানে মুল্য সহ সকল বিবরন থাকবে।স্হানিয় বেকার সৎ পরিশ্রমি যুবক কৃষকদের পন্য কৃষকদের সমন্নয়ে তা পরিচালিত করব।যোগাযোগের জন্য ভাইবার,লাইন,হোয়াট্স আপ ইত্যাদি ব্যাবহার করবে।মাঠ বা খেত থেকে পন্য না তুলেই দেশের বিভিন্ন আড়তদারদের সাথে অথবা খুচরা বিক্রয়কারির সাথে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে বিক্রয় করবে।

আমাদের মুল উদ্দেশ্ব হলো-

১।কৃষক বা অন্নান্য ক্ষুদ্র উৎপাদনকারিগন যেনো ন্যায্য মুল্য আদায় করতে পারেন

২।সত্যিকার বিক্রয়কারিদের নিকট পন্য বিক্রয়।

৩।মধ্যস্হকারিদের বিতরনের মাধ্যমে কম খরচে এবং ভেজালবিহীন/তরতাজা পন্য ভোক্তার হাতে পৌছানো।

৪।প্রতি ইউনিয়নে কজন লোকের ডিজিটাল পেশায় কর্মস্ংস্হান।

৫।

সরকার কৃষি বিষয়ে অত্যন্ত আন্তবিক তবে কৃষি পন্য উৎপাদন ও কৃষকদের ঋন বিষয়ে যতটা আন্তরিক,কৃষি পন্য বিক্রয়ে কেউ তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না।সঠিক দামে পন্য যদি কৃষক বিক্রয় করতে না পারে এবং ভোক্তারাও যদি ভেজালমুক্ত ও অল্প দামে পন্য না পায় তবে বাড়তি উৎপাদন ও ঋনের সুবিধায় কৃষক ভোক্তা কোনো গোষ্ঠিই লাভবান হয় না।লাভবান হয় গুটিকত মধ্যস্হকারিরাই।তাই আমি বা আমরা এ প্রকল্প করবোই ইনশাআল্লাহ্।

এর ফলে কৃষক যেমন ন্যায্য মুল্য পাবে তেমন ভোক্তাগনও কম মুল্যে তরতাজা পন্য পাবে খাবার টেবিলে।সেই ওয়েব সাইটে বলা থাকবে কোথাকার কোন পন্য কবে কততে কোথায় বিক্রি হলো।আবার মাঠে ফসল বা সব্জি থাকা অবস্হায় বলা যাবে সেটা কবে বিক্রি হবে…………………

আমরা একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান।এটাই আমাদের প্রথম প্রকল্প।

http://mamam.tokyo  Mail us : banglaodesh@gmail.com

28Feb/16
12742328_1503811569927996_5782001128785726953_n_Fotor

প্রশাসন যা বলে ও ………..

লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি,শিগ্রই পেশাদার দিয়ে ঠিক করবো। আইডিয়াটি বাস্তবায়নে জরিপ চলছে ব্যাক্তগত প্রচেষ্টায়।ঢাকা এবং অপর যে কোন একটি জেলা শহরে(মানিকগঞ্জ অগ্রাধিকার পাবে।আমার পূর্বপুরুষদের জন্ম ও আমার পরিচিত স্হান) দুটি আধাপেশাধারি দল তৈরি করে মাঠে নামবো শিগ্রই ইনশাআল্লাহ্।এটা আমার বা আমাদের স্বেচ্ছাসেবী প্রকল্প।ব্যবহারে ব্যবসায়িক,সামাজিক,পারিবারিক লাভবান হবেন আপনারা

সরকার,বেসরকার বা আন্তর্জাতিক কোন অর্থনৈতিক সাহায্য সহায়তার প্রয়োজন নেই,প্রয়োজন কিছু পরামর্শ ও কৃষকের নিরাপত্তার আকান্খা।যোগাযোগ করা হচ্ছে কয়েকজন জেলা প্রশাসকের সঙ্গে(দু একজন উপজেলা নির্বাহি সহ),দেখা যাক কতটুকু সহায়তা পাই।তালিকা প্রকাশ করা হবে। তারপর যোগাযোগ করা হবে মন্ত্রনালয়ে এবং সবশেষে মিডিয়া ও জনসাধারনে।

বিভাগ, জেলা ও থানা পর্যায়ের প্রশাসনে কোনো নির্বাচিত কর্মকর্তা নেই; সরকার নিযুক্ত প্রশাসকদের অধীনে এসব অঞ্চল পরিচালিত হয়ে থাকে।   সরকারের ইউনিয়ন বা উপজেলা জেলা প্রশাসক কর্মকর্তাদের সহায়তার প্রয়োজন।মাঠ পর্যায়ে কিছু সচেতনতা ও ব্যাবহার পদ্ধতি অনুধাবনে। কৃষক,জেলে,কুমার ক্ষুদ্র শিল্পের ক্রয় – বিক্রয়ের জন্য আমরা তৈরি করে দেবো প্রতি ইউনিয়নের জন্য।একবার কৃষক বা তার পরিবার বিষয়টি বুঝে গেলে কৃষক গোষ্ঠির কেউ বা তাদের পরিবারের সদস্য কেউ সাইটটি পরিচালিত করবে।আধুনিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন কে আমরা কাজে লাগাতে একটি লাভহীন প্রকল্প পরীক্ষামুলক শুরু করতে যাচ্ছি।

কৃষিতে আমাদের উৎপাদন বেড়েছে,কৃষকের উন্নয়ন হয়নি।ভোক্তারা মধ্যস্হভোগীদের হাতে জিম্মি। সরকার কৃষি বিষয়ে অত্যন্ত আন্তবিক,তবে কৃষি পন্য উৎপাদন ও কৃষকদের ঋন বিষয়ে যতটা আন্তরিক,কৃষি পন্য বিক্রয়ে কেউ তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না।সঠিক দামে পন্য যদি কৃষক বিক্রয় করতে না পারে এবং ভোক্তারাও যদি ভেজালমুক্ত ও অল্প দামে পন্য না পায় তবে বাড়তি উৎপাদন ও ঋনের সুবিধায় কৃষক ভোক্তা কোনো গোষ্ঠিই লাভবান হয় না।লাভবান হয় গুটিকত মধ্যস্হকারিরাই।তাই আমি বা আমরা এ প্রকল্প করবোই ইনশাআল্লাহ্।

সাইটি তৈরি,রক্ষনাবেক্ষন,প্রাথমিক জরিপে ১০,০০০০০লক্ষ টাকা প্রথম বাজেট।২য় বাজেট দুটি জেলার গড় ১০০x১০০০০ টি ইউনিয়নের জন্য ১০,০০০০০লক্ষ প্লাস।৩য় বাজেট(হয়তো সকল ইউনিয়নে প্রয়োজন পরবে না) ৪৪৫০x১০০০০ ।প্রতিটি ইউনিয়নের  প্রাথমিক পন্য ক্রয়কারিদের প্রয়োজনে ১০,০০০টাকা পন্য ক্রয়ে দেয়া হবে(কৃষক প্রতিনিধি)।সুদবিহীন ফেরতযোগ্য।বিশ্বাসের ভিত্তিতে দেবো,জামানত প্রয়োজন নেই। দেশের সকল ইউনিয়নে ১ জন করে।  সকলের মতামত ও সচেতনদের অংশগ্রহন কাম্য। আমি নিজের ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ক্ষমতায় কাজ করতে চাই,কাজ করাতে চাই।একটি নিয়ম তৈরি করতে চাই।কৃষকের মেরুদন্ড মজবুত করে ভোক্তা শ্রেনীকে ন্যায্য মুল্যে ও তরতাজা ভ্যেজালবিহীন খাদ্য পন্যে পরিপূর্ন পুষ্টি দিতে চাই।গুটিকতক মধ্যস্হভোগীর জাল থেকে আমরা মুক্ত হতে চাই। ১৭ কোটি জনতার দেশ একটি বিশাল শক্তি।প্রয়োজন সমন্নয়।তাই নেটের মাধ্যমে নিজের মেধা সময় অর্থ দিয়ে দেশর মানুষের জন্য কিছু করবো।সেই চেষ্টার অংশ এই ধারনা ।এখানে কারো কোন অর্থ ব্যায়ের প্রয়োজন পরবে না।কাচাবাজারের উর্ধমুল্য ও ভ্যেজাল সব্জি কেনার মতো সময়ের অপচয়ও হবে না।প্রয়োজন একটু ধের্য ও পরিবারকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষার ভালোবাসা।

কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী নিয়ে ৫-৬ জনের দুটি কমিটি করবো।তাদের  কাজের  অংশে থাকবে -জরিপ করা এবং ক্রয় ও বিক্রয় এলাকায় ৫ জন করে প্রতিনিধি নির্বাচন করা।যেমন –

22Feb/16
WhatsApp-2_Fotor

ক্ষেত থেকে টেবিলে।এক ধাপে সমাধান ইনশাআল্লাহ্

লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি,শিগ্রই পেশাদার দিয়ে ঠিক করবো। আইডিয়াটি বাস্তবায়নে জরিপ চলছে ব্যাক্তগত প্রচেষ্টায়।ঢাকা এবং অপর যে কোন একটি জেলা শহরে দুটি আধাপেশাধারি দল তৈরি করে মাঠে নামবো শিগ্রই ইনশাআল্লাহ্।এটা আমার বা আমাদের স্বেচ্ছাসেবী প্রকল্প।ব্যবহারে ব্যবসায়িক,সামাজিক,পারিবারিক লাভবান হবেন আপনারা

কিছু করতে চাই বাংলাদেশের জন্য,আমার জন্মভূমির জন্য।প্রাথমিক তহবিল আমার এবং অবশ্বই দাতব্য তবে বাংলাদেশের কৃষক ও ভোক্তা শ্রেনীর অত্যন্ত লাভজনক।প্রকল্পটির  প্রাথমিক ৫০ লক্ষ টাকা আনুমানিক ।প্রাথমিক পন্য ক্রয়কারিদের প্রয়োজনে ১০,০০০টাকা পন্য ক্রয়ে দেয়া হবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে।সুদবিহীন ফেরতযোগ্য।  সকলের মতামত ও সচেতনদের অংশগ্রহন কাম্য। আমি নিজের ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ক্ষমতায় কাজ করতে চাই,কাজ করাতে চাই।একটি নিয়ম তৈরি করতে চাই।কৃষকের মেরুদন্ড মজবুত করে ভোক্তা শ্রেনীকে ন্যায্য মুল্যে ও তরতাজা ভ্যেজালবিহীন খাদ্য পন্যে পরিপূর্ন পুষ্টি দিতে চাই।গুটিকতক মধ্যস্হভোগীর জাল থেকে আমরা মুক্ত হতে চাই। ১৭ কোটি জনতার দেশ একটি বিশাল শক্তি।প্রয়োজন সমন্নয়।তাই নেটের মাধ্যমে নিজের মেধা সময় অর্থ দিয়ে দেশর মানুষের জন্য কিছু করবো।সেই চেষ্টার অংশ এই ধারনা ।এখানে কারো কোন অর্থ ব্যায়ের প্রয়োজন পরবে না।কাচাবাজারের উর্ধমুল্য ও ভ্যেজাল সব্জি,চাল,ডাল,মাছ,মাংশ,ফল কেনার মতো সময়ের অপচয়ও হবে না।প্রয়োজন একটু ধের্য ও পরিবারকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষার ভালোবাসা।

বর্তমান বাজার ব্যাবস্হা – ফসল উৎপাদন করে কৃষক।তাদের কাছ থেকে পন্য কেনেন বিভিন্ন বেপারিরা।বেপারিরা সেইপন্য নিয়ে শহরের আড়তে বিক্রি করেন।আড়তদাররা সেই পন্য পাইকারি বিক্রি করেন বিভিন্ন কাচা বাজারের খুরচা বিক্রেতাদের নিকট।খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে আমরা ভোক্তারা সেই পন্য কিনে রান্না ঘরে পৌছে দেই।

এই সাইটগুলি মাঠ পর্যায়ে কে বা কারা অথবা কৃষক ও আড়তদারদের যোগসুত্র কে বা কারা তদারকি করবে –অবশ্বই স্হানিয় ব্যাক্তি বা ব্যাক্তির সমষ্টি।হতে পারে কৃষক নিজে বা তার পরিবারের সদস্য,অথবা বিষয়টি ব্যাবসায়িক পেশা হিসাবেও নিতে পারবে।অথবা এ জন্য বাংলাদেশের যে কোনো ইউনিয়নের যে কোন ওয়ার্ড থেকে একজন করে পরিশ্রমি কৃষিপ্রেমি মানুষ প্রয়োজন।যিনি মুলধন ছারা ব্যাবসা করবেন এবং নিজের এলাকায় থেকেই সারা বাংলাদেশে।প্রয়োজন একটি নেট ও ফ্রি ভিডিও কল সংযোগ সমৃদ্ধ মোবাইল ফোন।চলাচলের জন্য একটি সাইকেল থাকলে ভালো হয়। প্রথমিক অবস্হায় যে ভাবে শুরু করবেন –

১।এলাকার ফসলের ক্ষেত দেখবেন,উত্তোলনের সময় ও বিক্রয়মুল্য জানবেন,অল্প পরিমানে (৮-১০ মন,বা ৫-৬ হাজার টাকা সমতুল্য পন্য বাসের ছাদে বা কোন ট্রাকের কিছু অংশে পরিবহন করবেন) বিক্রয় প্রকৃয়া শুরু করবেন।নিজ যোগ্যতায় পরিধি ও পরিমান বাড়বেই।প্রয়োজনে কৃষকের পন্যমুল্য প্রথম কদিন আমরা দেবো যা আপনি আমাদের ফেরত দেবেন।

২।জেলার বড় বিক্রয়কেন্দ্র, জেলা শহর,বিভাগিয় শহর বা দেশের যে কোন আড়তদারদের সাথে যোগাযোগ করে ভিডিও কলের মাধ্যমে ক্ষেতেই পন্য দেখাবেন,একমত হলে মুল্য নির্ধারন করে পন্য পাঠানোর ব্যাবস্হা করবেন।

৩।ক্রয়কারির শহরের যে কোন কাছাকাছি স্হানে পন্য পরিবহন থেকে নামিয়ে ক্রয়কারির ভ্যানে পন্য বুঝিয়ে দিয়ে পন্যমুল্য বুঝে নিয়ে নিজ উৎপাদন এলাকায় চলে আসবেন।পন্য পরিবহন ও একজনের যাতায়াত ব্যায় ক্রয়কারির বহন করবেন।এখানে একজন লোকও নিয়োগ দেয়া যেতে পারে

৪।

12Feb/16
032701Pic-18

কৃষক ও ভোক্তা অসহায় ।উর্ধমুল্য ও ভ্যেজাল সমাজ সয়লাব।

লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি,শিগ্রই পেশাদার দিয়ে ঠিক করবো। আইডিয়াটি বাস্তবায়নে জরিপ চলছে ব্যাক্তগত প্রচেষ্টায়।ঢাকা এবং অপর যে কোন একটি জেলা শহরে দুটি আধাপেশাধারি দল তৈরি করে মাঠে নামবো শিগ্রই ইনশাআল্লাহ্।এটা আমার বা আমাদের স্বেচ্ছাসেবী প্রকল্প।ব্যবহারে ব্যবসায়িক,সামাজিক,পারিবারিক লাভবান হবেন আপনারা

 

খাদ্যে ভ্যেজাল ও উর্ধমুল্যের মূল কারণ হচ্ছে অর্থলালসা চরিতার্থ করা। অর্থের লালসা মানুষের চিরন্তন। কিন্তু অর্থের প্রয়োজন আছে বলেই যে কোনো উপায়ে অর্থ উপার্জন করা নীতি গর্হিত কাজ। অর্থোপার্জনের জন্য ব্যক্তির মনে ন্যূনতম ন্যায়-অন্যায়বোধ থাকা আবশ্যক। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে চোখ রাখলে দেখা যায়, নীতি গর্হিত কর্মকাণ্ডে পরিপূর্ণ এক ভিন্ন চিত্র। খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল দেয়ার মাধ্যমে সেই চিত্র আরও নগ্নভাবে হয়ে পড়েছে আমাদের দেশে।‘ঢাকায় ৭০ শতাংশ, দেশে ৫০ শতাংশ খাদ্যদ্রব্য ভেজাল।’ বাংলাদেশ, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ভেজালমুক্ত বিশুদ্ধ খাদ্য অনেকটা সোনার হরিণের মতো দুর্লভ। মাছ, মাংস, চাল, ডাল, আটা, লবণ, তেল, ঘি, দুধ, চিনি, চা, মিষ্টি, ওষুধ, মধু, মসলা ইত্যাদি ভেজাল সর্বত্রই এমনকি মিনারেল ওয়াটার নামে বোতলবন্দি ‘বিশুদ্ধ’ পানিতেও ভেজাল।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমাদের দেশে খাদ্যে ভেজালের ধরন বা প্রকৃতিও বিচিত্র রকমের।

প্রতি  মাসে সারা বিশ্বে ৩৫ হাজার লোকের মৃত্য ঘটে শুধুমাত্র ভেজাল খাদ্যের কারণে। আর প্রতি বছর ১০ জনের মধ্যে একজন মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে ভেজাল খাদ্যের কারণে। এটা আমার আপনার কথা নয়। এমন ভয়ানক তথ্য দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।এছাড়া ভেজাল খাদ্যের কারণে বেশী মারাত্মক ঝুঁকিতে আছে পাঁচ বছরের চেয়ে কম বয়সী শিশুরা। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।ভেজাল খাদ্যের কারণে সাময়িকভাবে ডায়রিয়া, পেটের পীড়া, বমি হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বলা হয়েছে, এ কারণে ক্যানসার, কিডনি বা যকৃতের অসুখ, মস্তিষ্কের সমস্যার মত দীর্ঘমেয়াদী অসুখ হতে পারে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, খাদ্যে ভেজালের কারণে প্রতি বছর চার লাখ ২০ হাজার মানুষ মারা যায়। এরমধ্যে এক লাখ ২৫ হাজারই শিশু, যাদের বয়স পাঁচ বছরের নিচে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক পরিচালক কাজুয়াকি মিয়াগিশিমা বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত বাস্তবের সংখ্যাটা আরো বেশি।’বিশ্বে খাদ্য বাণিজ্যের কারণে এ ধরনের সমস্যা হতে পারে বলে মনে করেন মিয়াগিশিমা। তিনি বলেন, ‘যদি একটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা দুর্বল হয় আর ওই দেশটি যদি খাদ্য রপ্তানি করে তবে খাদ্য উৎপাদন শৃঙ্খলই দূর্বল হয়ে পড়ে।’বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আফ্রিকা ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকিতে ভুগছে বেশি

খাদ্যে ভ্যেজাল ও উর্ধমুল্য  সামাজিক অপরাধ

খাদ্যে ভ্যেজাল ও উর্ধমুল্য মানবসমাজের একটি মারাত্মক সমস্যা। খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধসহ মানবজীবনের এমন কোনো দিক নেই, যেখানে ভেজালের বিস্তার ঘটেনি। বিশেষ করে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোয় ভেজালযুক্ত পণ্যদ্রব্য মানবজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। এসব দেশে ভেজালের প্রাধান্য এতই বেশি যে, সাধারণ মানুষ খাঁটি বস্তুকে নকল বলে ভুল করে। এখানে অর্থলোলুপ ব্যবসায়ীরা আত্মকেন্দ্রিকতায় লিপ্ত হয়ে কোটি কোটি মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দেয়।

মানুষ সামাজিক জীব। মানুষের কল্যাণেই সমাজ। সমাজের মঙ্গলেই মানুষ। সমাজের ভালো-মন্দ, মানুষের ভালোমন্দের ইচ্ছার ওপরই নির্ভর করে। মনুষ্যত্ব নিয়েই মানুষ। মনুষ্যত্ববিহীন মানুষই অমানুষ। মানবতাবোধ মানুষের বড় গুণ। এই গুণের অধিকারী হয়েই মানুষ এত বড় যে, জীবন আত্মসুখে মগ্ন, সে জীবন স্বার্থপর। সে-জীবন অমানবিকতায় পঙ্গু, আত্মকেন্দ্রিকতায় কলঙ্কিত। অর্থলোলুপ লালসার ফল মানবজাতির জন্য যে কত বড় ভয়াবহ হতে পারে তা খাদ্যে ভেজালের পরিণাম দেখলেই উপলব্ধি করা যায়। যে খাদ্য গ্রহণ করে মানুষ জীবনধারণ করে, তাতে নির্দ্বিধায় ভেজাল মিশ্রণ করে মানুষের চরম সর্বনাশ সাধন করা জঘন্যতম অপরাধের কাজ। বাংলাদেশের অসাধু ব্যবসায়ীচক্র অধিক লোভের আশায় প্রায়ই পণ্যে ভেজাল মেশানোর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়।
খাদ্যে ভেজাল বলতে বোঝায় খাদ্যে নিম্নমানের, ক্ষতিকর, অকেজো, অপ্রয়োজনীয় ও কৃত্রিম দ্রব্য মেশানো। প্রকৃতিগত ও গুণগতভাবে মানসম্মত নাহলে যে কোনো খাদ্যদ্রব্যই ভেজালযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। অর্থাত্ খাদ্যের মান যাচাই বা নিয়ন্ত্রণ না করে অধিক লাভের আশায় অখাদ্য-কুখাদ্য উত্পাদন ও বাজারজাত করাকেই খাদ্যে ভেজাল বলা হয়ে থাকে। জনস্বাস্থ্যের জন্য এটি মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
‘খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল’—এ সংবাদটি আজ আর নতুন নয়। প্রায় প্রতিদিনই এ নিয়ে জাতীয় দৈনিকগুলোতে ছাপা হচ্ছে বিভিন্ন সংবাদ। ‘ঢাকায় ৭০ শতাংশ, দেশে ৫০ শতাংশ খাদ্যদ্রব্য ভেজাল।’ বাংলাদেশ, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ভেজালমুক্ত বিশুদ্ধ খাদ্য অনেকটা সোনার হরিণের মতো দুর্লভ। মাছ, মাংস, চাল, ডাল, আটা, লবণ, তেল, ঘি, দুধ, চিনি, চা, মিষ্টি, ওষুধ, মধু, মসলা ইত্যাদি ভেজাল সর্বত্রই এমনকি মিনারেল ওয়াটার নামে বোতলবন্দি ‘বিশুদ্ধ’ পানিতেও ভেজাল।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমাদের দেশে খাদ্যে ভেজালের ধরন বা প্রকৃতিও বিচিত্র রকমের। হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময়ে খাদ্যে ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে ভেজাল প্রয়োগ করে। অনেক সময় মজুত খাদ্যশস্যের ওজন বৃদ্ধির জন্য তাতে পানি মেশানো হয়। ভেজাল দেয়ার প্রক্রিয়ায় খাদ্যশস্য বহির্জাত দ্রব্য সরাসরি খাদ্যে যোগ করা হয়। যেমন, ওজন বৃদ্ধির জন্য চালে মেশানো হয় ঝিল, কাঁকর, গুঁড়ি পাথর, মাছের সঙ্গে বিষাক্ত ফরমালিন মিশিয়ে তাকে অধিকক্ষণ তাজা রাখা হয়। খাসির মাংসের পরিবর্তে দেয়া হয় শিয়াল-কুকুর ও ঘোড়ার মাংস। ঘিয়ের সঙ্গে পশুচর্বি দিয়ে ভেজাল দেয়া হয়। তিল বা নারিকেল তেলের সঙ্গে বাদাম তেল বা তুলাবীজের তেল মেশানো হয়। সরিষার সঙ্গে প্রায়ই শিয়ালকাঁটার বীজ একত্রে মিশিয়ে তেল উত্পাদন করা হয়। সয়াবিন তেলের সঙ্গে পামতেল, ফার্নেস অয়েল, মবিল ইত্যাদি বিষাক্ত দ্রব্য মেশানো হয়। আজকাল তরল দুধে মেশানো হচ্ছে ফরমালিন আর শিশুর গুঁড়ো দুধে মিশিয়ে দেয়া হচ্ছে বিষাক্ত রাসায়নিক মেলামাইন। ভাবতে কষ্ট হয়-মানবতা আজ কত বিপন্ন। অসহায় শিশু, অসহায় রোগী তাদের নিয়ে চলছে কত ষড়যন্ত্র। নিষ্পাপ শিশু, রোগীদের নিয়ে যদি পুতুল খেলা হয় তাহলে সাধারণ মানুষ কি খেয়ে বেঁচে থাকবে? অনেক সময় দুধের মাখন তুলে নিয়ে অথবা দুধে পানি মিশিয়ে ভেজাল দুধ বিক্রি করা হয়। গুঁড়া দুধে আবার ময়দা, সুজি ও অন্যান্য কমদামি দ্রব্য মিশিয়ে ভেজাল করা হয়। ব্যবহৃত চা পাতায় কাঠের গুঁড়া মিশিয়ে চায়ে ভেজাল দেয়া হয়। মসলার মধ্যে মরিচ বা হলুদ গুঁড়াতে সীসাজাতীয় রঞ্জক পদার্থ মিশিয়ে রঙের উজ্জ্বলতা বাড়ানো হয়। কোমল পানীয় তৈরিতে তরল গ্লুকোজ বা চিনির সিরাপের পরিবর্তে প্রায়ই ব্যবহৃত হয় কার্বোক্সি মিথাইল সেলুলোজ। ভাবতেও অবাক লাগে- জীবনরক্ষাকারী ওষুধে ট্যালকম পাউডার, আটা-ময়দা? প্রাণঘাতী হেপাটাইটিস বি-ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা হিসেবে পুশ করা হয়েছে মিনারেল ওয়াটার। কী ভয়াবহ, কী ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি! মৃত্যু পথযাত্রী রোগীদের নিয়েও চলছে খেলা। মাঝে মাঝে মনে হয় আমরা কোন জগতে বসবাস করছি? আমরা কি মনুষ্য সমাজে বাস করছি? আসলেই কি আমরা মানুষ? নাকি মানুষ নামের পশু? মানুষ কি পশুকে অতিক্রম করে যাচ্ছে? পশুত্ব কি মনুষ্যত্বকে গ্রাস করছে? অপরাধ এবং অপরাধীকে প্রশ্রয় দেয়া সমান অপরাধ—এ কথা শুধু জানলে চলবে না, প্রতিবাদ করে প্রতিরোধ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে হবে।
এছাড়া বিভিন্ন ফলের রসের নামে কৃত্রিম ও নিষিদ্ধ রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে নকল রস তৈরি করে থাকে। মিনারেল ওয়াটার নামে বাজারে যে পানির ব্যবসা চলছে তাতে গুণ ও মানের নিশ্চয়তা অতি সামান্য। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নেই বললেই চলে। আমাদের দেশে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভেজাল নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই ও দুর্নীতি দমন কমিশন বিদ্যমান থাকলেও সেসব প্রতিষ্ঠানও ভেজালে পরিপূর্ণ। ভেজাল দূরীকরণের পরিবর্তে এসব প্রতিষ্ঠান উেকাচ গ্রহণের মাধ্যমে প্রকারান্তরে ভেজাল প্রয়োগে ব্যবসায়ীদের উত্সাহিত করে থাকে।
খাদ্যে ভেজালের মূল কারণ হচ্ছে অর্থলালসা চরিতার্থ করা। অর্থের লালসা মানুষের চিরন্তন। কিন্তু অর্থের প্রয়োজন আছে বলেই যে কোনো উপায়ে অর্থ উপার্জন করা নীতি গর্হিত কাজ। অর্থোপার্জনের জন্য ব্যক্তির মনে ন্যূনতম ন্যায়-অন্যায়বোধ থাকা আবশ্যক। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে চোখ রাখলে দেখা যায়, নীতি গর্হিত কর্মকাণ্ডে পরিপূর্ণ এক ভিন্ন চিত্র। খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল দেয়ার মাধ্যমে সেই চিত্র আরও নগ্নভাবে হয়ে পড়েছে আমাদের দেশে। একদিকে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব-কলহ, অপরদিকে অর্থনৈতিক দুর্দশার কারণে সমাজের সবকিছুই আজ নানা ভেজালে ছেয়ে গেছে। অসত্ ও অর্থলোলুপ ব্যবসায়ীরা এখন আর নীতি-নৈতিকতার কথা চিন্তা করে না। যে কোনো উপায়ে হোক তার টাকা চাই। এই টাকা কালো পথে আসুক কিংবা সাদা পথে আসুক কিংবা কারও রক্ত ঝরিয়ে আসুক তা যেন এই যন্ত্রশাসিত সমাজের মানুষের ভাবার অবকাশ নেই।
শিশুর খাদ্য মুহূর্তের মধ্যে বাজার থেকে উধাও করে দিয়েও এই ব্যবসায়ী শ্রেণী নিজেদের মুনাফা বাড়াতে পিছপা হয় না। নীতিজ্ঞানহীন ব্যবসায়ীরা রোগীর ওষুধে ভেজাল দিয়ে রোগীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয় অবলীলায়। ভেজালযুক্ত খাদ্য খেয়ে অহরহই এদেশের মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। কিন্তু তাতে কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে না। ভেজাল খাদ্যের ভয়ানক পরিণাম হিসেবে অনেকেই চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করছে বিষাক্ত কেমিক্যাল যা আহার্য হিসেবে গ্রহণ করলে মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ কিডনি, লিভার সিরোসিস, গলগণ্ড, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, পেটের পীড়া, টাইফয়েড প্রভৃতি দূরারোগ্য ব্যাধিরও বিস্তার ঘটায়। অসাধু ব্যবসায়ীদের অবিবেচনাপ্রসূত কাজের ফলে নিমিষেই থেমে যায় শিশুর হাসি! সম্প্রতি ব্লমার নামক একজন বিজ্ঞানী উল্লেখ করেন, ‘ফসফরাসসমৃদ্ধ কীটনাশক শুধু যে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তাই নয়, এটি মানবজাতির জন্য বিরাট অভিশাপ। কারণ এসব কীটনাশক জাতীয় বিষ খাদ্যচক্র ও পরিবেশের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে মানুষের স্বাভাবিক বিবর্তন প্রক্রিয়াকে পরিবর্তিত করছে।
বর্তমানে ভেজাল একটি মারাত্মক ব্যাধি। গোটা জাতিকে এ ব্যাধি গ্রাস করতে বসেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে জাতির ভবিষ্যত্ অচিরেই তলিয়ে যাবে গভীর অন্ধকারে। কাজেই যে কোনো মূল্যে ভেজালের হাত থেকে আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে হবে। এর কারণে যে কোনো সময় বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। তাই ভেজাল প্রতিরোধে প্রত্যেক সচেতন ব্যক্তি এবং জাতীয় কর্তৃপক্ষকে এখনই এগিয়ে আসা দরকার।(আমারদেশ পত্রিকা থেকে)

…………………………….সবজির লাভ মধ্যস্বত্বভোগীর পকেটে।দেখুন অবস্হা…………………………
রাজধানী ঢাকার যেকোনো বাজারে শীতের টমেটো বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা প্রতি কেজি। অথচ ফসলের মাঠে এই টমেটো বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। অর্থাৎ ফসলের মাঠ থেকে খুচরা পর্যায়ে বিক্রিতে শুধু কেজিতেই পার্থক্য প্রায় ৭০ থেকে ৮০ টাকা। ঢাকার পাশে সাভারের ধামরাইর নয়ারহাট পাইকারি সবজির বাজারে ফুলকপি আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে প্রতিশ’ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। এতে একটি কপির মূল্য পড়ে ৭ থেকে ৮ টাকা মাত্র। অথচ ঢাকার বাজারে সেই ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে খুচরা ১৮ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে। তা হলে প্রশ্ন ওঠে মাঝখানে কারা ফায়দা লুটছে? শীতের প্রতিটি সবজিতেই এভাবে মূল্যে ঠকছেন ক্রেতারা। মাঝখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে যাচ্ছে লাভের পুরো অর্থ। যুগান্তর প্রতিনিধিরা সরেজমিন বিভিন্ন বাজার ঘুরে তুলে এনেছেন এ চিত্র।

শীতের সবজি ঘিরে সক্রিয় মধ্যস্বত্বভোগীরাও। বগুড়া, চট্টগ্রাম, সাভারসহ ঢাকার পাইকারি ও খুচরা বাজারে সবজির মূল্যে দেখা গেছে বিরাট ব্যবধান। অথচ কৃষক মূল্য পাচ্ছে খুবই কম। এই রিপোর্ট তৈরিতে সার্বিক সহায়তা করেছেন বগুড়া ব্যুরো প্রধান মো. নাজমুল হুদা নাসিম, চট্টগ্রাম ব্যুরো থেকে লোকমান চৌধুরী, ধামরাই প্রতিনিধি শাহীন খান ও ঢাকা থেকে প্রদায়ক মাহমুদুল হাসান, ইয়াসিন রহমান ও বাহাউদ্দিন।বগুড়া : ঢাকায় এক কেজি বেগুন ৫০ টাকা হলেও বগুড়ার বাজারে ১০ টাকায় তা বিক্রি হচ্ছে। ওই বাজারে ১৫ টাকা কেজি দরে শিম বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু ওই শিম ঢাকা এসে ৪০ টাকা হচ্ছে। বগুড়ায় শীতের অন্যান্য সবজির দাম কম থাকলেও ঢাকায় বিক্রি হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি।সরেজমিন দেখা গেছে, মহাস্থানের করতোয়া, বাঙালি ও নাগর নদী বিধৌত মহাস্থান, গোকুল, তেলিহারা, লাহিড়ীপাড়া, পীরগাছাসহ আশপাশের শতাধিক গ্রামের সবজি চাষ হয়েছে।জানা গেছে, এই হাটে প্রতি মণ (৪০ কেজি) কপি ৭০০, মুলা ৩০০, বেগুন ৪০০, শিম ৬০০, গাজর এক হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। হাটের সবজি শহরের আড়তে মণপ্রতি ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে। ছোট ব্যবসায়ীরা ক্রেতা পর্যায়ে আরেকটু বেশি নিচ্ছেন। বগুড়া শহরের রাজাবাজারে পাইকারি সবজি বিক্রেতা দয়াল ভাণ্ডারের মালিক আবদুর রহমান রুনু জানান, কৃষকরা ভালো মূল্য পাচ্ছেন। পাইকারি প্রতি মণ কপি ৮০০ টাকা, মুলা ৪০০ টাকা, বেগুন ৬০০ টাকা, শিম ৮০০ টাকা, গাজর এক হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

চট্টগ্রাম : এদিকে চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে শীতের সবজির সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা কমেছে। নগরীর কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিতকরলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা- যা গত সপ্তাহে ছিল ৬৫-৮০ টাকা, টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়- যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-১০০ টাকা, ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে কেজি ৪০ টাকায়- যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ টাকা, বরবটি কেজি ৪০-৫০ টাকা- যা গত সপ্তাহে ছিল ৫৫-৬০ টাকা, শিম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ৬০-৭০ টাকা। এছাড়া লাউ বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকায়, বাঁধাকপি ৩০ টাকা, ঢেঁড়স কেজি ৫০-৬০ টাকা, শসা কেজি ৩০-৩৫ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০-৫০ টাকা, পটল কেজি ৩০-৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩০ টাকা, মূলা ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০-৮০ টাকায়।
সাভার : শীতের সবজিতে বগুড়ার কৃষকরা লাভবান হলেও মূল্য নিয়ে চরম হতাশায় পড়েছেন সাভারের কৃষকরা। তাদের মতে জমিতে আশানুরূপ ফসল ফলিয়েও উঠছে না উৎপাদন খরচ, মিলছে না দাম। দিনে দিনে পাল্লা দিয়ে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে পণ্যের নায্যমূল্য না পেয়ে লাখ লাখ কৃষকের চোখে মুখে হতাশা। সরেজমিন ধামরাইয়ের বেশ কয়েকজন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ক্রেতারা খুচরা বাজারে আগুন দামে সবজি কিনলেও খুবই কম দামে তা বিক্রি করছেন কৃষকরা। ধামরাইয়ের নয়ারহাট, ধামরাই, কালামপুর, ইসলামপুরের সবজি বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, কৃষকরা তাদের সবজি যে দামে বিক্রি করছেন তা রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা বাজার থেকে অনেক কম।
সারের দাম, সেচ প্রকল্পের বিদ্যুতের আগুনছোঁয়া দাম, জ্বালানি তেল, কৃষি শ্রমিকদের মজুরি ও চাষাবাদ খরচের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব কিছুর দাম বেড়েছে। ফলে ফসলের নায্য দাম না পাওয়ায় কৃষকরা তাদের উৎপাদন ধরে রাখতে পারছেন না। ধামরাই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ধামরাই এলাকায় চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় লাখ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজির আবাদ হচ্ছে। যার আর্থিক মূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা। ধামরাই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, রেকর্ড পরিমাণ জমিতে শীতের সবজি চাষ করে এবং বাম্পার ফলন হলেও কৃষকের স্বস্তি নেই।
পাইকারি বাজার : এদিকে কৃষক কম মূল্য পেলেও ঢাকার পাইকারি বাজারে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে শীতের সবজি। ইতিমধ্যে বাজারে আসতে শুরু করেছে শীতকালীন নানা শাক-সবজি। ঢাকার পাইকারি বাজার ঘুরে জানা গেছে, নতুন আলুর দাম একটু বেশি হলেও অন্যান্য সবজির দাম গত সপ্তাহ থেকে অনেকটাই কম। তবে খোঁজ নিয়ে জানা, গেছে কৃষক পর্যায় থেকে যে দামে সবজি কেনা হয়েছে তার থেকে তুলনামূলক বেশি দাম দেখা গেছে পাইকারি বজারে।
রাজধানীর পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি নতুন গোল আলু পাইকারি ৮০-৯০ টাকা, পুরান আলু পাইকারি ২৮ থেকে ৩০ টাকা, লাল আলু ৩৮ থেকে ৪০ টাকা। বেগুন ৪০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে- যা গত সপ্তাহে পাইকারি দর ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, কাঁচামরিচ ৫০ টাকা, যা গত সপ্তাহে পাইকারি দর ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা। ফুলকফি ১১-১৪ টাকা ও বাঁধাকফি ১৫-১৬ টাকা পাইকাীিদরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া টমেটোর দাম একটু কমলেও তুলনামূলক বেশি। লাল টমেটো পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮৫-৯০ টাকায় আর সাদা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকা পাইকারি দরে- যা খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১২০ ও ১৫০ টাকা দরে। করলা পাল্লা (৫ কেজি) পাইকারি কিক্রি হচ্ছে ১৮০-২০০ টাকা দরে। এ ছাড়াও জলপাই ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, ধুন্দল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, বরবটি ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, কচু ২৮ থেকে ৩৩ টাকা, কচুর লতি ৩২ থেকে ৩৮ টাকায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও বাজারে বিভিন্ন ধরনের শাকের দামও কমেছে। এদিকে বাজারে দাম কমেছে করলা, ঝিঙা, পটল, শসা, কাকরল, পেঁপে, গাজর ইত্যাদি সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে।
খুচরা বাজার : এদিকে রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতিটি সবজির মূল্য দ্বিগুণের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর হাতিরপুল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, নতুন আলু মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, যা গত সপ্তায় বিক্রি করতে দেখা গেছে ১০০-১২০ টাকায়। আর কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়, যা গত সপ্তায় বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকায়। একই পণ্য পাইকারি বাজারে যথাক্রমে ৬৫ ও ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ১০০-১২০ টাকা থেকে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬০ টাকায়। সেখানেও কাঁচা মরিচের পাইকারি বাজারের দামের তুলনায় খুচরা বাজারে ২০ টাকা বেশিতে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
একই বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী সামিউল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, আমরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করি না, পাইকারি বাজার চড়া থাকলে আমাদের বেশি দামে ক্রয় করতে হয়। যে কারণে বিক্রিও করতে হয় একটু বেশি দামে। তিনি বলেন, ‘পরিবহন খরচ বেশি থাকায় আমাদের বেশি বিক্রি করতে হচ্ছে।’ তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরিবহন খরচ নয় দাম বাড়ার মূলে রয়েছে খুচরা ব্যবসায়ীদের অধিক মুনাফার প্রলোভন।

ওয়েব সাইট সুবিধায় কৃষি পন্য।আমরা বিনামুল্যে তৈরি করে দেবো।আমরা অলাভজনক সামাজিক প্রতিষ্ঠান

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কৃষিপন্যে বাড়তি দাম ও ভ্যেজাল মিশ্রন একটি স্বাভাবিক বিষয়।পক্ষান্তরে কৃষকও ন্যায্য দাম পায় না।লাভ নিয়ে যায় মধ্যস্তকারিরা।আধুনিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন কে আমরা কাজে লাগাতে একটি লাভহীন প্রকল্প পরীক্ষামুলক শুরু করতে যাচ্ছি।প্রাথমিক অবস্হায় সারাদেশে ৫০টি ওয়েব সাইট এলাকা ভিত্তিক নির্মান করবো কৃষি পন্য উপস্হাপন এর জন্য(প্রতিটি জেলায় নয়)।সেখানে মুল্য সহ সকল বিবরন থাকবে।স্হানিয় বেকার সৎ পরিশ্রমি যুবক কৃষকদের পন্য কৃষকদের সমন্নয়ে তা পরিচালিত করব।যোগাযোগের জন্য ভাইবার,লাইন,হোয়াট্স আপ ইত্যাদি ব্যাবহার করবে।মাঠ বা খেত থেকে পন্য না তুলেই দেশের বিভিন্ন আড়তদারদের সাথে অথবা খুচরা বিক্রয়কারির সাথে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে বিক্রয় করবে।

এর ফলে কৃষক যেমন ন্যায্য মুল্য পাবে তেমন ভোক্তাগনও কম মুল্যে তরতাজা পন্য পাবে খাবার টেবিলে।সেই ওয়েব সাইটে বলা থাকবে কোথাকার কোন পন্য কবে কততে কোথায় বিক্রি হলো।আবার মাঠে ফসল বা সব্জি থাকা অবস্হায় বলা যাবে সেটা কবে বিক্রি হবে…………………

28Jan/16
DSC04442

কৃষি পন্য,আমরা আর আড়তদার।

শ্যামবাজারে গিয়ে দেখা যায়, বুড়িগঙ্গার নদীতীরে লালকুঠি ঘাটের মোড় থেকেই আড়ত শুরু। ফরাশগঞ্জের বি কে দাশ রোড ধরে এগোতেই চোখে পড়ল সারি সারি আড়ত। সেখানে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, শুকনো মরিচ, হলুদ, ধনে, আলু ইত্যাদি ভোগ্যপণ্যের বস্তা থরে থরে সাজানো। দু-চারটি ট্রাক থেকে পণ্য নামছে। গলি পথ ধরে হেঁটে নদীর পাশে গিয়ে সবজির ছোট আড়ত মিলল। নদীপথে মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ট্রলারে করে লাউ, ফুলকপি ইত্যাদি সবজি ঘাটে ভিড়ছে। বেশ কর্মচাঞ্চল্য। সদরঘাটের দিকে এগোতেই পানের আড়ত। হাঁকডাক দিয়ে পান বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৫০-৫৫টি পানের আড়ত আছে।এক সময় দেশের অন্যতম আড়ত ছিল পুরান ঢাকার শ্যামবাজার। এখন সেই খ্যাতিও মুছে গেছে। নগরীতে নতুন অনেক আড়ত হয়েছে। ভয়াবহ যানজটের কারণে কাঁচামালের ব্যবসায়ীরাও কম আসেন শ্যামবাজারে। চলে যান যাত্রাবাড়ী অথবা কারওয়ানবাজারে। কারওয়ান বাজার ও যাত্রাবাড়ীসহ ঢাকার অন্য আড়তগুলো জমজমাট থাকে রাতে। এ দিক থেকে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম শ্যামবাজার। এখানকার প্রবীণ আড়তদার হাজি শাহাবুদ্দীন জানান, নদীপথে দিনের বেলায়ই এখানে পণ্য আসে সবচেয়ে বেশি। মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার, মানিকগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা, ট্রলার ও লঞ্চবোঝাই কাঁচামাল নামে শ্যামবাজারে। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা পণ্য এ হাটে নামে। ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো থেকেও দিনে শাকসবজিসহ বিভিন্ন পণ্য সবচেয়ে বেশি আসে এখানে। আড়তদার হাজি জামিল জানান, এমনিতেই শ্যামবাজারের জৌলুস কমেছে। পান-সুপারির জন্য বিখ্যাত এ শ্যামবাজার। এখানকার পানের আড়ত দেশের সর্ববৃহৎ বলে দাবি করেন আড়তদাররা। সেই সর্ববৃহৎ পানের আড়তেও এখন ব্যস্ততা নেই। পান আসছে খুবই কম। শ্যামবাজারে আদা, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, হলুদ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যই পাওয়া যায়। এসব পণ্যের বিশাল আড়তদার রয়েছেন এ বাজারে। টাটকা শাকসবজির জন্যও শ্যামবাজারের খ্যাতি বহু পুরনো। শ্যামবাজারজুড়ে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। হাটের আবর্জনায় ভরে গেছে বুড়িগঙ্গার তীর। রাস্তা বা ফুটপাতে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনার ছড়াছড়ি। আবর্জনার মধ্য থেকে দুর্গন্ধ গা সওয়া হয়ে গেছে এখানকার আড়তদার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের। কিন্তু পথচারীরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। শ্যামবাজার ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। কাঁচামাল ও নিত্যপণ্যের চার শতাধিক আড়ত রয়েছে এ হাটে। সারাদেশ থেকে আসে লাখ লাখ বিড়া পান। বেচাকেনা শেষে এসব পণ্যের পচা ও অতিরিক্ত অংশ আবর্জনা হিসেবে পড়ে থাকে রাস্তা বা বুড়িগঙ্গায়। তার ওপর বসেই চলে কোটি টাকার ব্যবসা। বাজারের বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শ্যামবাজার ব্যবসার জৌলুস হারিয়েছে। যানজট, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনার কারণে আড়তগুলোর বেহাল দশায় পাইকাররা এখন আর শ্যামবাজারে আসতে চান না এবং ব্যবসায়ীর সংখ্যাও কমেছে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কৃষিপন্যে বাড়তি দাম ও ভ্যেজাল মিশ্রন একটি স্বাভাবিক বিষয়।পক্ষান্তরে কৃষকও ন্যায্য দাম পায় না।লাভ নিয়ে যায় মধ্যস্তকারিরা।আধুনিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন কে আমরা কাজে লাগাতে একটি লাভহীন প্রকল্প পরীক্ষামুলক শুরু করতে যাচ্ছি।প্রাথমিক অবস্হায় সারাদেশে ৫০টি ওয়েব সাইট এলাকা ভিত্তিক নির্মান করবো কৃষি পন্য উপস্হাপন এর জন্য(প্রতিটি জেলায় নয়)।সেখানে মুল্য সহ সকল বিবরন থাকবে।স্হানিয় বেকার সৎ পরিশ্রমি যুবক কৃষকদের পন্য কৃষকদের সমন্নয়ে তা পরিচালিত করব।যোগাযোগের জন্য ভাইবার,লাইন,হোয়াট্স আপ ইত্যাদি ব্যাবহার করবে।মাঠ বা খেত থেকে পন্য না তুলেই দেশের বিভিন্ন আড়তদারদের সাথে অথবা খুচরা বিক্রয়কারির সাথে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে বিক্রয় করবে।

এর ফলে কৃষক যেমন ন্যায্য মুল্য পাবে তেমন ভোক্তাগনও কম মুল্যে তরতাজা পন্য পাবে খাবার টেবিলে।সেই ওয়েব সাইটে বলা থাকবে কোথাকার কোন পন্য কবে কততে কোথায় বিক্রি হলো।আবার মাঠে ফসল বা সব্জি থাকা অবস্হায় বলা যাবে সেটা কবে বিক্রি হবে………………….032701Pic-18