কৃষি পন্য,আমরা আর আড়তদার।

শ্যামবাজারে গিয়ে দেখা যায়, বুড়িগঙ্গার নদীতীরে লালকুঠি ঘাটের মোড় থেকেই আড়ত শুরু। ফরাশগঞ্জের বি কে দাশ রোড ধরে এগোতেই চোখে পড়ল সারি সারি আড়ত। সেখানে পেঁয়াজ, রসুন, আদা, শুকনো মরিচ, হলুদ, ধনে, আলু ইত্যাদি ভোগ্যপণ্যের বস্তা থরে থরে সাজানো। দু-চারটি ট্রাক থেকে পণ্য নামছে। গলি পথ ধরে হেঁটে নদীর পাশে গিয়ে সবজির ছোট আড়ত মিলল। নদীপথে মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ট্রলারে করে লাউ, ফুলকপি ইত্যাদি সবজি ঘাটে ভিড়ছে। বেশ কর্মচাঞ্চল্য। সদরঘাটের দিকে এগোতেই পানের আড়ত। হাঁকডাক দিয়ে পান বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে ৫০-৫৫টি পানের আড়ত আছে।এক সময় দেশের অন্যতম আড়ত ছিল পুরান ঢাকার শ্যামবাজার। এখন সেই খ্যাতিও মুছে গেছে। নগরীতে নতুন অনেক আড়ত হয়েছে। ভয়াবহ যানজটের কারণে কাঁচামালের ব্যবসায়ীরাও কম আসেন শ্যামবাজারে। চলে যান যাত্রাবাড়ী অথবা কারওয়ানবাজারে। কারওয়ান বাজার ও যাত্রাবাড়ীসহ ঢাকার অন্য আড়তগুলো জমজমাট থাকে রাতে। এ দিক থেকে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম শ্যামবাজার। এখানকার প্রবীণ আড়তদার হাজি শাহাবুদ্দীন জানান, নদীপথে দিনের বেলায়ই এখানে পণ্য আসে সবচেয়ে বেশি। মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ, সাভার, মানিকগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা, ট্রলার ও লঞ্চবোঝাই কাঁচামাল নামে শ্যামবাজারে। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা পণ্য এ হাটে নামে। ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো থেকেও দিনে শাকসবজিসহ বিভিন্ন পণ্য সবচেয়ে বেশি আসে এখানে। আড়তদার হাজি জামিল জানান, এমনিতেই শ্যামবাজারের জৌলুস কমেছে। পান-সুপারির জন্য বিখ্যাত এ শ্যামবাজার। এখানকার পানের আড়ত দেশের সর্ববৃহৎ বলে দাবি করেন আড়তদাররা। সেই সর্ববৃহৎ পানের আড়তেও এখন ব্যস্ততা নেই। পান আসছে খুবই কম। শ্যামবাজারে আদা, রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, হলুদ থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যই পাওয়া যায়। এসব পণ্যের বিশাল আড়তদার রয়েছেন এ বাজারে। টাটকা শাকসবজির জন্যও শ্যামবাজারের খ্যাতি বহু পুরনো। শ্যামবাজারজুড়ে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। হাটের আবর্জনায় ভরে গেছে বুড়িগঙ্গার তীর। রাস্তা বা ফুটপাতে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনার ছড়াছড়ি। আবর্জনার মধ্য থেকে দুর্গন্ধ গা সওয়া হয়ে গেছে এখানকার আড়তদার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের। কিন্তু পথচারীরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। শ্যামবাজার ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। কাঁচামাল ও নিত্যপণ্যের চার শতাধিক আড়ত রয়েছে এ হাটে। সারাদেশ থেকে আসে লাখ লাখ বিড়া পান। বেচাকেনা শেষে এসব পণ্যের পচা ও অতিরিক্ত অংশ আবর্জনা হিসেবে পড়ে থাকে রাস্তা বা বুড়িগঙ্গায়। তার ওপর বসেই চলে কোটি টাকার ব্যবসা। বাজারের বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শ্যামবাজার ব্যবসার জৌলুস হারিয়েছে। যানজট, নোংরা পরিবেশ ও অব্যবস্থাপনার কারণে আড়তগুলোর বেহাল দশায় পাইকাররা এখন আর শ্যামবাজারে আসতে চান না এবং ব্যবসায়ীর সংখ্যাও কমেছে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কৃষিপন্যে বাড়তি দাম ও ভ্যেজাল মিশ্রন একটি স্বাভাবিক বিষয়।পক্ষান্তরে কৃষকও ন্যায্য দাম পায় না।লাভ নিয়ে যায় মধ্যস্তকারিরা।আধুনিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন কে আমরা কাজে লাগাতে একটি লাভহীন প্রকল্প পরীক্ষামুলক শুরু করতে যাচ্ছি।প্রাথমিক অবস্হায় সারাদেশে ৫০টি ওয়েব সাইট এলাকা ভিত্তিক নির্মান করবো কৃষি পন্য উপস্হাপন এর জন্য(প্রতিটি জেলায় নয়)।সেখানে মুল্য সহ সকল বিবরন থাকবে।স্হানিয় বেকার সৎ পরিশ্রমি যুবক কৃষকদের পন্য কৃষকদের সমন্নয়ে তা পরিচালিত করব।যোগাযোগের জন্য ভাইবার,লাইন,হোয়াট্স আপ ইত্যাদি ব্যাবহার করবে।মাঠ বা খেত থেকে পন্য না তুলেই দেশের বিভিন্ন আড়তদারদের সাথে অথবা খুচরা বিক্রয়কারির সাথে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে বিক্রয় করবে।

এর ফলে কৃষক যেমন ন্যায্য মুল্য পাবে তেমন ভোক্তাগনও কম মুল্যে তরতাজা পন্য পাবে খাবার টেবিলে।সেই ওয়েব সাইটে বলা থাকবে কোথাকার কোন পন্য কবে কততে কোথায় বিক্রি হলো।আবার মাঠে ফসল বা সব্জি থাকা অবস্হায় বলা যাবে সেটা কবে বিক্রি হবে………………….জাতি ধর্ম ভাষা মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থনীতি/সমাজনীতি। এখানে একটু দেখুন প্লিজ।সব ভালো ইনশাআল্লাহ্। পরিবার বাচান দেশ উন্নয়নে দৌড়াবে। দেশের মঙ্গলে কিছু করাই দেশকে ভালোবাসা 032701Pic-18-300x196 কৃষি পন্য,আমরা আর আড়তদার। Uncategorized