ভ্যেজালে পঙ্গু হচ্ছে জাতি।নিজে বাচুন পরিবার বাচান।


লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি,শিগ্রই পেশাদার দিয়ে ঠিক করবো। আইডিয়াটি বাস্তবায়নে জরিপ চলছে ব্যাক্তগত প্রচেষ্টায়।ঢাকা এবং অপর যে কোন একটি জেলা শহরে দুটি আধাপেশাধারি দল তৈরি করে মাঠে নামবো শিগ্রই ইনশাআল্লাহ্।এটা আমার বা আমাদের স্বেচ্ছাসেবী প্রকল্প।ব্যবহারে ব্যবসায়িক,সামাজিক,পারিবারিক লাভবান হবেন আপনারা

ভ্যেজালে পঙ্গু হচ্ছে জাতি,আপনার আমার পরিবার

সমাধান আমার আপনার জানালায়

ঢাকার চারপাশের জেলার কথা না হয় নাই বললাম।ঢাকার অন্তরভুক্ত থানা গুলোতে (সাভার,ধামরাই,কেরানিগঞ্জ) যে সব্জি উৎপাদন হয় তা ঢাকার মেট্রোপলিটান বাজারে প্রতিদিন বিক্রি হয় নুন্যতম ৩ গুন দামে।অর্থাৎ সাভারের ২০ টাকা কেজির  কাচামরিচ ঢাকার মেট্রোপলিটান বাজারে বিক্রি হয় নুন্যতম ৬০ টাকা কেজিতে।অতএব বুঝা গেলো যে – কৃষক যেমন সঠিক দাম পাচ্ছেন না আবার ভোক্তারাও অতিরিক্ত মুল্যে পন্য কিনতে বাধ্য হচ্ছে।মাঝখান থেকে লাভ নিয়ে যাচ্ছে।এতো গেলো উর্ধমুল্যের বিষয়।এবার বলি ভ্যেজাল ভ্যেজাল ও ভ্যেজাল বিষয়ে -‘ঢাকায় ৭০ শতাংশ, দেশে ৫০ শতাংশ খাদ্যদ্রব্য ভেজাল।’ বাংলাদেশ, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ভেজালমুক্ত বিশুদ্ধ খাদ্য অনেকটা সোনার হরিণের মতো দুর্লভ। মাছ, মাংস, চাল, ডাল, আটা, লবণ, তেল, ঘি, দুধ, চিনি, চা, মিষ্টি, ওষুধ, মধু, মসলা ইত্যাদি ভেজাল সর্বত্রই এমনকি মিনারেল ওয়াটার নামে বোতলবন্দি ‘বিশুদ্ধ’ পানিতেও ভেজাল।

সরকার কৃষি বিষয়ে অত্যন্ত আন্তবিক তবে কৃষি পন্য উৎপাদন ও কৃষকদের ঋন বিষয়ে যতটা আন্তরিক,কৃষি পন্য বিক্রয়ে কেউ তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না।সঠিক দামে পন্য যদি কৃষক বিক্রয় করতে না পারে এবং ভোক্তারাও যদি ভেজালমুক্ত ও অল্প দামে পন্য না পায় তবে বাড়তি উৎপাদন ও ঋনের সুবিধায় কৃষক ভোক্তা কোনো গোষ্ঠিই লাভবান হয় না।লাভবান হয় গুটিকত মধ্যস্হকারিরাই।তাই আমি বা আমরা এ প্রকল্প করবোই ইনশাআল্লাহ্।

আপনার জানালায় (ফ্রি ভিডিও কল) দেখে নিন (একটু ভুমিকা বলি) –

প্রতি জেলা,উপজেলা ও প্রতি ইউনিয়নের জন্য আলালা আলাদা ওয়েব সাইট ৪৪৮৪টি করবো ইনশাআল্লাহ্ ।  ঢাকার চারপাশের জেলার কথা না হয় নাই বললাম।ঢাকার অন্তরভুক্ত থানা গুলোতে (সাভার,ধামরাই,কেরানিগঞ্জ) যে সব্জি উৎপাদন হয় তা ঢাকার মেট্রোপলিটান বাজারে প্রতিদিন বিক্রি হয় নুন্যতম ৩ গুন দামে।অর্থাৎ সাভারের ২০ টাকা কেজির  কাচামরিচ ঢাকার মেট্রোপলিটান বাজারে বিক্রি হয় নুন্যতম ৬০ টাকা কেজিতে।অতএব বুঝা গেলো যে – কৃষক যেমন সঠিক দাম পাচ্ছেন না আবার ভোক্তারাও অতিরিক্ত মুল্যে পন্য কিনতে বাধ্য হচ্ছে।মাঝখান থেকে লাভ নিয়ে যাচ্ছে।এতো গেলো উর্ধমুল্যের বিষয়।এবার বলি ভ্যেজাল ভ্যেজাল ও ভ্যেজাল বিষয়ে –‘ঢাকায় ৭০ শতাংশ, দেশে ৫০ শতাংশ খাদ্যদ্রব্য ভেজাল।’ বাংলাদেশ, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় ভেজালমুক্ত বিশুদ্ধ খাদ্য অনেকটা সোনার হরিণের মতো দুর্লভ। মাছ, মাংস, চাল, ডাল, আটা, লবণ, তেল, ঘি, দুধ, চিনি, চা, মিষ্টি, ওষুধ, মধু, মসলা ইত্যাদি ভেজাল সর্বত্রই এমনকি মিনারেল ওয়াটার নামে বোতলবন্দি ‘বিশুদ্ধ’ পানিতেও ভেজাল।

ভোক্তা শ্রেনী জানালায় (ফ্রি ভিডিও কল) দেখে যা করবেন

এই অবস্হায় ১০টি বা অধিক পরিবার একত্রিত হবেন ।একটি কমিউনিটি করবেন। কৃষক পর্যায়ের হোমপেজ থেকে পন্য পছন্দ করে অর্ডার করবেন।ফ্রি ভিডিও কলের মাধ্যমে। প্রয়োযনে ফসলের ক্ষেতে ফসল পছন্দ করবেন।বিশ্বস্হতার গ্যারান্টি ওয়েব সাইট দেবে।আমাদের মুল উদ্দেশ্ব কৃষকের লাভ এবং ভোক্তাদের ন্যায্যমুল্যে তরতাজা পন্য সরবরাহ।মনে রাখতে হবে অনেক সময় পন্যের আকৃতি মনমতো নাও হতে পারে তবে পন্যের মানের তারতম্য হবে না এবং মুল্য আরো কম হবে ইনশাআল্লাহ্। পন্য বুঝে নিয়ে মুল্য পরিশোধ করবেন।১০টি বা অধিক পরিবারের ৭ দিনের পন্যতে পরিবহন ব্যায়ও কম হবে।পরিবহন বিষয়টি হবে –

এই কমিউনিটি যে পরিবার মেনটেন করবেন, তিনি প্রতিবারের পন্যে ১০% টাকা বেশি প্রতি পরিবার থেকে গ্রহন করবেন শ্রম ও সময় মুল্য হিসাবে।কেউ যেনো মধ্যস্হভোগীর মত উর্ধলাভে জরিয়ে না পরে তার জন্য এই ১০% লাভ বা শ্রমমুল্য নির্ধারিত।

বাজারের খুচরা বিক্রেতারা জানালায় (ফ্রি ভিডিও কল)  যেভাবে ক্রয় করবেন-

৫ জন ১০ জন বা অধিক বিক্রেতাগন একত্রিত হয়ে প্রতিদিনের পন্য আগের দিন বিকেলে ক্যেমেরার সরাসরি পন্য দেখে অর্ডার করবেন পরবর্তি দিন সন্ধায় পন্য বুঝে নিয়ে মুল্য পরিশোধ করবেন।অর্থাৎ শুক্রবার সকালে যে পন্য বিক্রয় করবেন তার অর্ডার বুধবার বিকেলে করে বৃহস্পতিবার বিকেলেই পন্য হাতে পাবেন ।অর্থাৎ সেই সব্জি ক্ষেত থেকে তোলা হবে বৃহস্পতিবার যা শুক্রবারের ক্রেতারা ক্রয় করবেন।তবে স্বরন থাকবে যে খুচরা বিক্রয়মুল্য কখনোই যেনো ক্রয়মুল্যের ৩০% বিক্রয়মুল্যের বেশি নাহয়।  আরো ভালো আইডিয়া হয়তো পরবর্তিতে গ্রহন করবো।

আড়তদারেরা জানালায় (ফ্রি ভিডিও কল)  যেভাবে ক্রয় করবেন –

আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কৃষিপন্যে বাড়তি দাম ও ভ্যেজাল মিশ্রন একটি স্বাভাবিক বিষয়।পক্ষান্তরে কৃষকও ন্যায্য দাম পায় না।লাভ নিয়ে যায় মধ্যস্তকারিরা।আধুনিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন কে আমরা কাজে লাগাতে একটি লাভহীন প্রকল্প পরীক্ষামুলক শুরু করতে যাচ্ছি।প্রাথমিক অবস্হায় সারাদেশে ৫০টি ওয়েব সাইট এলাকা ভিত্তিক নির্মান করবো কৃষি পন্য উপস্হাপন এর জন্য(প্রতিটি জেলায় নয়)।সেখানে মুল্য সহ সকল বিবরন থাকবে।স্হানিয় বেকার সৎ পরিশ্রমি যুবক কৃষকদের পন্য কৃষকদের সমন্নয়ে তা পরিচালিত করব।যোগাযোগের জন্য ভাইবার,লাইন,হোয়াট্স আপ ইত্যাদি ব্যাবহার করবে।মাঠ বা খেত থেকে পন্য না তুলেই দেশের বিভিন্ন আড়তদারদের সাথে অথবা খুচরা বিক্রয়কারির সাথে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে বিক্রয় করবে।

আমাদের মুল উদ্দেশ্ব হলো-

১।কৃষক বা অন্নান্য ক্ষুদ্র উৎপাদনকারিগন যেনো ন্যায্য মুল্য আদায় করতে পারেন

২।সত্যিকার বিক্রয়কারিদের নিকট পন্য বিক্রয়।

৩।মধ্যস্হকারিদের বিতরনের মাধ্যমে কম খরচে এবং ভেজালবিহীন/তরতাজা পন্য ভোক্তার হাতে পৌছানো।

৪।প্রতি ইউনিয়নে কজন লোকের ডিজিটাল পেশায় কর্মস্ংস্হান।

৫।

সরকার কৃষি বিষয়ে অত্যন্ত আন্তবিক তবে কৃষি পন্য উৎপাদন ও কৃষকদের ঋন বিষয়ে যতটা আন্তরিক,কৃষি পন্য বিক্রয়ে কেউ তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না।সঠিক দামে পন্য যদি কৃষক বিক্রয় করতে না পারে এবং ভোক্তারাও যদি ভেজালমুক্ত ও অল্প দামে পন্য না পায় তবে বাড়তি উৎপাদন ও ঋনের সুবিধায় কৃষক ভোক্তা কোনো গোষ্ঠিই লাভবান হয় না।লাভবান হয় গুটিকত মধ্যস্হকারিরাই।তাই আমি বা আমরা এ প্রকল্প করবোই ইনশাআল্লাহ্।

এর ফলে কৃষক যেমন ন্যায্য মুল্য পাবে তেমন ভোক্তাগনও কম মুল্যে তরতাজা পন্য পাবে খাবার টেবিলে।সেই ওয়েব সাইটে বলা থাকবে কোথাকার কোন পন্য কবে কততে কোথায় বিক্রি হলো।আবার মাঠে ফসল বা সব্জি থাকা অবস্হায় বলা যাবে সেটা কবে বিক্রি হবে…………………

আমরা একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান।এটাই আমাদের প্রথম প্রকল্প।

http://mamam.tokyo  Mail us : banglaodesh@gmail.com