উদ্যোগ্তাদের করনীয়……..। প্রাথমিক তহবিল আমার।

জাতি ধর্ম ভাষা মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থনীতি/সমাজনীতি। এখানে একটু দেখুন প্লিজ।সব ভালো ইনশাআল্লাহ্। পরিবার বাচান দেশ উন্নয়নে দৌড়াবে। দেশের মঙ্গলে কিছু করাই দেশকে ভালোবাসা 032710Pic-21_Fotor_Fotor-300x159 উদ্যোগ্তাদের করনীয়........। প্রাথমিক তহবিল আমার। Uncategorized

 সরকারি,বেসরকারি বা আন্তর্জাতিক কোন অর্থনৈতিক সাহায্য সহায়তার প্রয়োজন নেই,প্রয়োজন কিছু পরামর্শ ও কৃষকের নিরাপত্তার আকাঙ্খা। লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি,শিগ্রই পেশাদার দিয়ে ঠিক করবো। আইডিয়াটি বাস্তবায়নে জরিপ চলছে ব্যাক্তিগত প্রচেষ্টায় অর্থাৎ এটি আমার দাতব্য প্রকল্প।

যা করতে চাচ্ছি – কৃষক, খুচরা বিক্রয়কারি ও ভোক্তাকে এক সুতায় বাধবো। আধুনিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন কে আমরা কাজে লাগাতে একটি লাভহীন পরীক্ষামুলক প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছি।  দেশের ৪৮৯টি উপজেলার ৪৫৫০টি ইউনিয়নের জন্য স্বতন্ত্র ওয়েব সাইট তৈরি করবো বাংলাদেশ সরকারের তথ্য বাতায়নের অনুরুপ তবে আরো বেশি কৃষক তথ্য নির্ভরশীল। প্রতি উপজেলার প্রতি ইউনিয়নের কৃষকের ফসল যখন থাকবে ক্ষেতে,একই সময় থাকবে সেই ইউনিয়নের ওয়েব সাইটে।সেই ওয়েব সাইটে থাকবে ফ্রি ভিডিও কলের সুবিধা।যখন ফসল বাজার জাত বা কাটার সময় হবে তখন ওয়েব সাইটেই জানানো হবে।কৃষি পন্য উপস্হাপন এর জন্য সেখানে মুল্য সহ সকল বিবরন থাকবে।স্হানিয় বেকার সৎ পরিশ্রমি ব্যাক্তি কৃষকদের পন্য কৃষকদের সমন্নয়ে তা পরিচালিত করব।যোগাযোগের জন্য ভাইবার,লাইন,হোয়াট্স আপ ইত্যাদি ব্যাবহার করবে।মাঠ বা খেত থেকে পন্য না তুলেই দেশের বিভিন্ন আড়তদারদের সাথে অথবা খুচরা বিক্রয়কারির সাথে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে বিক্রয় করবে।ধিরে ধিরে বিশ্বস্হতা বাড়বে।     ভিডিও কলের মাধ্যমে ক্ষেতে পন্য দেখে মুল্য নির্ধারন করে পন্য ক্রয় করবো।কিছু করতে চাই বাংলাদেশের জন্য,আমার জন্মভূমির জন্য।প্রাথমিক তহবিল আমার এবং অবশ্বই দাতব্য তবে বাংলাদেশের কৃষক ও ভোক্তা শ্রেনীর অত্যন্ত লাভজনক।প্রকল্পটির  প্রাথমিক ৫০ লক্ষ টাকা আনুমানিক ।প্রাথমিক পন্য ক্রয়কারিদের প্রয়োজনে ১০,০০০টাকা পন্য ক্রয়ে দেয়া হবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে।সুদবিহীন ফেরতযোগ্য।  সকলের মতামত ও সচেতনদের অংশগ্রহন কাম্য। আমি নিজের ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ক্ষমতায় কাজ করতে চাই,কাজ করাতে চাই।একটি নিয়ম তৈরি করতে চাই।কৃষকের মেরুদন্ড মজবুত করে ভোক্তা শ্রেনীকে ন্যায্য মুল্যে ও তরতাজা ভ্যেজালবিহীন খাদ্য পন্যে পরিপূর্ন পুষ্টি দিতে চাই।গুটিকতক মধ্যস্হভোগীর জাল থেকে আমরা মুক্ত হতে চাই। ১৭ কোটি জনতার দেশ একটি বিশাল শক্তি।প্রয়োজন সমন্নয়।তাই নেটের মাধ্যমে নিজের মেধা সময় অর্থ দিয়ে দেশর মানুষের জন্য কিছু করবো।সেই চেষ্টার অংশ এই ধারনা ।এখানে কারো কোন অর্থ ব্যায়ের প্রয়োজন পরবে না।কাচাবাজারের উর্ধমুল্য ও ভ্যেজাল সব্জি,চাল,ডাল,মাছ,মাংশ,ফল কেনার মতো সময়ের অপচয়ও হবে না।প্রয়োজন একটু ধের্য ও পরিবারকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষার ভালোবাসা।

একটি সত্য কথা হলো….

সরকার কৃষি বিষয়ে অত্যন্ত আন্তবিক তবে কৃষি পন্য উৎপাদন ও কৃষকদের ঋন বিষয়ে যতটা আন্তরিক,কৃষি পন্য বিক্রয়ে কেউ তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না।সঠিক দামে পন্য যদি কৃষক বিক্রয় করতে না পারে এবং ভোক্তারাও যদি ভেজালমুক্ত ও অল্প দামে পন্য না পায় তবে বাড়তি উৎপাদন ও ঋনের সুবিধায় কৃষক ভোক্তা কোনো গোষ্ঠিই লাভবান হয় না।লাভবান হয় গুটিকত মধ্যস্হকারিরাই।তাই আমি বা আমরা এ প্রকল্প করবোই ইনশাআল্লাহ্।

বর্তমান বাজার ব্যাবস্হা – ফসল উৎপাদন করে কৃষক।তাদের কাছ থেকে পন্য কেনেন বিভিন্ন বেপারিরা।বেপারিরা সেইপন্য নিয়ে শহরের আড়তে বিক্রি করেন।আড়তদাররা সেই পন্য পাইকারি বিক্রি করেন বিভিন্ন কাচা বাজারের খুরচা বিক্রেতাদের নিকট।খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে আমরা ভোক্তারা সেই পন্য কিনে রান্না ঘরে পৌছে দেই।

উর্ধমুল্য ও ভ্যেজাল রোধে আইন বা আন্দোলন করে কিছুই সমাধান হয়নি হবেও না।কিছুদিন সবাই মিডিয়ায় মুখ দেখানোর প্রতিযোগীতায় ব্যাস্ত থাকে….এই যা। ভোক্তারা ভাবে প্রতিবাদ করে সমাজের হাসির পাত্র হবো কেনো।আইনি বাহিনী ভাবে আমার সংস্হার অপর জন ঘুস খেয়ে মেনে নেয়,আমি একা কি করবো।ইত্যাদি ইত্যাদি………বৈধ অবৈধ কাজ করার পক্ষে সবারই অনেক অনেক কারন বা যুক্তি ছিলো,আছে,থাকবে।

দেশের  প্রতি ইউনিয়নে, ওয়ার্ডে একজন করে, কৃষকের পন্য বিক্রয়ের উদ্যোগ্তার করনিয়

বাংলাদেশের যে কোনো ইউনিয়নের যে কোন ওয়ার্ড থেকে একজন করে পরিশ্রমি কৃষিপ্রেমি মানুষ প্রয়োজন যিনি মুলধন ছারা ব্যাবসা করবেন এবং নিজের এলাকায় থেকেই সারা বাংলাদেশে।প্রয়োজন একটি নেট ও ফ্রি ভিডিও কল সংযোগ সমৃদ্ধ মোবাইল ফোন।চলাচলের জন্য একটি সাইকেল থাকলে ভালো হয়। প্রথমিক অবস্হায় যে ভাবে শুরু করবেন –

১।এলাকার ফসলের ক্ষেত দেখবেন,উত্তোলনের সময় ও বিক্রয়মুল্য জানবেন,অল্প পরিমানে (৮-১০ মন,বা ৫-৬ হাজার টাকা সমতুল্য পন্য বাসের ছাদে বা কোন ট্রাকের কিছু অংশে পরিবহন করবেন) বিক্রয় প্রকৃয়া শুরু করবেন।নিজ যোগ্যতায় পরিধি ও পরিমান বাড়বেই।প্রয়োজনে কৃষকের পন্যমুল্য প্রথম কদিন আমরা দেবো যা আপনি আমাদের ফেরত দেবেন।

২।জেলার বড় বিক্রয়কেন্দ্র, জেলা শহর,বিভাগিয় শহর বা দেশের যে কোন আড়তদারদের সাথে যোগাযোগ করে ভিডিও কলের মাধ্যমে ক্ষেতেই পন্য দেখাবেন,একমত হলে মুল্য নির্ধারন করে পন্য পাঠানোর ব্যাবস্হা করবেন।

৩।ক্রয়কারির শহরের যে কোন কাছাকাছি স্হানে পন্য পরিবহন থেকে নামিয়ে ক্রয়কারির ভ্যানে পন্য বুঝিয়ে দিয়ে পন্যমুল্য বুঝে নিয়ে নিজ উৎপাদন এলাকায় চলে আসবেন।পন্য পরিবহন ও একজনের যাতায়াত ব্যায় ক্রয়কারির বহন করবেন।এখানে একজন লোকও নিয়োগ দেয়া যেতে পারে

৪।

দেশের  প্রতি আড়তের  আড়তদারদের, সরাসরি কৃষি ক্ষেত থেকে পন্য কেনার উদ্যোক্তার করনিয়

 আড়তদারেরাতো………….ক্ষেতের পর ক্ষ ত দেখবেন…………..সব্জি কাটা দেখবেন………………..ট্রকের পর ট্রাক ভরা দেখবেন………………..আর আড়তে এনে বিক্রি করবেন……

দেশের  প্রতি বাজারের প্রকৃত বিক্রয়কারি, সরাসরি কৃষি ক্ষেত থেকে পন্য কেনার  উদ্যোক্তার করনিয়

৫ জন ১০ জন বা অধিক বিক্রেতাগন একত্রিত হয়ে প্রতিদিনের পন্য আগের দিন বিকেলে ক্যেমেরার সরাসরি পন্য দেখে অর্ডার করবেন পরবর্তি দিন সন্ধায় পন্য বুঝে নিয়ে মুল্য পরিশোধ করবেন।অর্থাৎ শুক্রবার সকালে যে পন্য বিক্রয় করবেন তার অর্ডার বুধবার বিকেলে করে বৃহস্পতিবার বিকেলেই পন্য হাতে পাবেন ।অর্থাৎ সেই সব্জি ক্ষেত থেকে তোলা হবে বৃহস্পতিবার যা শুক্রবারের ক্রেতারা ক্রয় করবেন।তবে স্বরন থাকবে যে খুচরা বিক্রয়মুল্য কখনোই যেনো ক্রয়মুল্যের ৩০% বিক্রয়মুল্যের বেশি না হয়।  আরো ভালো আইডিয়া হয়তো পরবর্তিতে গ্রহন করবো।

 পরবর্তিতে ভাববো –

তবে শর্ত এই যে পন্য মুল্য নির্ধারন করবে কৃষক ও ক্রয়কারি।এই মুল্যের ৫% কৃষক থেকে এবং ৫% পাবেন ক্রয়কারির কাছ থেকে%  তদারককারি।যেমন – কৃষকের ১০০০০ হাজার টাকার পন্য বিক্রয় হলে কৃষক পাবেন ৯৫০০টাকা।ক্রয়কারি ১০০০০টাকার পন্য ক্রয় করলে ক্রয়কারি প্রদান করবেন % বেশিতে ১০৫০০টাকা।অর্থাৎ ১০০০০টাকার পন্য ক্রয় বিক্রয়ে তদারককারি পাবে ১০০০টাকা এবং এখান থেকে ২% (২০০) রাখবে ওয়েব রক্ষনাব্যাক্ষন ও কৃষক ও এলাকা উন্নয়ন ব্যায়ে।।এই (% হিসাবটি অবস্হান ও পন্য ভেদে পরিবর্তনশীল) যে কোন এন্ড্রয়েড ফোন ব্যাবহারকারি যে কোন বেকার সৎ পরিশ্রমি  ব্যাক্তি আড়তদার ও কৃষকের যোগসুত্র তৈরি করা ও বিক্রয় প্রতিনিধি হওয়ার মানসে আমাদের কাছে আবেদন করতে পারবেন।নিজের যোগ্যতা কর্মঠতা এবং আমাদের সহায়তায় একজন যোগাযোগ রক্ষাকারি ব্যাক্তি গড়ে দৈনিক ১০০০০টাকার ফসল এলাকায় বসেই বাংলাদেশের যে কোন আড়ত বা খুচরা বিক্রয়কারিদের কাছে বিক্রয় করতে পারবেন। আয় হবে মাসিক ২০ -২৪ হাজার টাকা ।শুধু সেই এলাকার পন্য বাজারজাত করাই নয়,এলাকার প্রয়োজনে অন্য এলাকার পন্যও নিজ এলাকায় বাজারজাত করতে পারবেন।যেমন –

দেশের  প্রতি আবাসিক এলাকায়  ভোক্তা সমাজেও, সরাসরি কৃষি ক্ষেত থেকে পন্য কেনার উদ্যোগ্তার করনিয়

শুধু কৃষকদের সমন্নয় নয় নগর জীবনে আমরা ভোক্তারাও একটি কমিউনিটি করতে পারি।সেখানে ১০ ২০ টি পরিবার একত্রিত হয়ে কৃষক থেকে সরাসরি পন্য ক্রয় করতে পারি।এতে দাম কম পরবে আবার তরতাজা ও ভেজাল বিহিন পন্যও পাওয়া যাবে।এই অবস্হায় ১০টি বা অধিক পরিবার একত্রিত হবেন ।একটি কমিউনিটি করবেন। কৃষক পর্যায়ের হোমপেজ থেকে পন্য পছন্দ করে অর্ডার করবেন।ফ্রি ভিডিও কলের মাধ্যমে। প্রয়োযনে ফসলের ক্ষেতে ফসল পছন্দ করবেন।বিশ্বস্হতার গ্যারান্টি ওয়েব সাইট দেবে।আমাদের মুল উদ্দেশ্ব কৃষকের লাভ এবং ভোক্তাদের ন্যায্যমুল্যে তরতাজা পন্য সরবরাহ।মনে রাখতে হবে অনেক সময় পন্যের আকৃতি মনমতো নাও হতে পারে তবে পন্যের মানের তারতম্য হবে না এবং মুল্য আরো কম হবে ইনশাআল্লাহ্। পন্য বুঝে নিয়ে মুল্য পরিশোধ করবেন।১০টি বা অধিক পরিবারের ৭ দিনের পন্যতে পরিবহন ব্যায়ও কম হবে।পরিবহন বিষয়টি হবে –

এই কমিউনিটি যে পরিবার মেনটেন করবেন, তিনি প্রতিবারের পন্যে ১০% টাকা বেশি প্রতি পরিবার থেকে গ্রহন করবেন শ্রম ও সময় মুল্য হিসাবে।কেউ যেনো মধ্যস্হভোগীর মত উর্ধলাভে জরিয়ে না পরে তার জন্য এই ১০% লাভ বা শ্রমমুল্য নির্ধারিত।