ক্ষেত থেকে টেবিলে।এক ধাপে সমাধান ইনশাআল্লাহ্

লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি,শিগ্রই পেশাদার দিয়ে ঠিক করবো। আইডিয়াটি বাস্তবায়নে জরিপ চলছে ব্যাক্তগত প্রচেষ্টায়।ঢাকা এবং অপর যে কোন একটি জেলা শহরে দুটি আধাপেশাধারি দল তৈরি করে মাঠে নামবো শিগ্রই ইনশাআল্লাহ্।এটা আমার বা আমাদের স্বেচ্ছাসেবী প্রকল্প।ব্যবহারে ব্যবসায়িক,সামাজিক,পারিবারিক লাভবান হবেন আপনারা

কিছু করতে চাই বাংলাদেশের জন্য,আমার জন্মভূমির জন্য।প্রাথমিক তহবিল আমার এবং অবশ্বই দাতব্য তবে বাংলাদেশের কৃষক ও ভোক্তা শ্রেনীর অত্যন্ত লাভজনক।প্রকল্পটির  প্রাথমিক ৫০ লক্ষ টাকা আনুমানিক ।প্রাথমিক পন্য ক্রয়কারিদের প্রয়োজনে ১০,০০০টাকা পন্য ক্রয়ে দেয়া হবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে।সুদবিহীন ফেরতযোগ্য।  সকলের মতামত ও সচেতনদের অংশগ্রহন কাম্য। আমি নিজের ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ক্ষমতায় কাজ করতে চাই,কাজ করাতে চাই।একটি নিয়ম তৈরি করতে চাই।কৃষকের মেরুদন্ড মজবুত করে ভোক্তা শ্রেনীকে ন্যায্য মুল্যে ও তরতাজা ভ্যেজালবিহীন খাদ্য পন্যে পরিপূর্ন পুষ্টি দিতে চাই।গুটিকতক মধ্যস্হভোগীর জাল থেকে আমরা মুক্ত হতে চাই। ১৭ কোটি জনতার দেশ একটি বিশাল শক্তি।প্রয়োজন সমন্নয়।তাই নেটের মাধ্যমে নিজের মেধা সময় অর্থ দিয়ে দেশর মানুষের জন্য কিছু করবো।সেই চেষ্টার অংশ এই ধারনা ।এখানে কারো কোন অর্থ ব্যায়ের প্রয়োজন পরবে না।কাচাবাজারের উর্ধমুল্য ও ভ্যেজাল সব্জি,চাল,ডাল,মাছ,মাংশ,ফল কেনার মতো সময়ের অপচয়ও হবে না।প্রয়োজন একটু ধের্য ও পরিবারকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষার ভালোবাসা।

বর্তমান বাজার ব্যাবস্হা – ফসল উৎপাদন করে কৃষক।তাদের কাছ থেকে পন্য কেনেন বিভিন্ন বেপারিরা।বেপারিরা সেইপন্য নিয়ে শহরের আড়তে বিক্রি করেন।আড়তদাররা সেই পন্য পাইকারি বিক্রি করেন বিভিন্ন কাচা বাজারের খুরচা বিক্রেতাদের নিকট।খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে আমরা ভোক্তারা সেই পন্য কিনে রান্না ঘরে পৌছে দেই।

এই সাইটগুলি মাঠ পর্যায়ে কে বা কারা অথবা কৃষক ও আড়তদারদের যোগসুত্র কে বা কারা তদারকি করবে –অবশ্বই স্হানিয় ব্যাক্তি বা ব্যাক্তির সমষ্টি।হতে পারে কৃষক নিজে বা তার পরিবারের সদস্য,অথবা বিষয়টি ব্যাবসায়িক পেশা হিসাবেও নিতে পারবে।অথবা এ জন্য বাংলাদেশের যে কোনো ইউনিয়নের যে কোন ওয়ার্ড থেকে একজন করে পরিশ্রমি কৃষিপ্রেমি মানুষ প্রয়োজন।যিনি মুলধন ছারা ব্যাবসা করবেন এবং নিজের এলাকায় থেকেই সারা বাংলাদেশে।প্রয়োজন একটি নেট ও ফ্রি ভিডিও কল সংযোগ সমৃদ্ধ মোবাইল ফোন।চলাচলের জন্য একটি সাইকেল থাকলে ভালো হয়। প্রথমিক অবস্হায় যে ভাবে শুরু করবেন –

১।এলাকার ফসলের ক্ষেত দেখবেন,উত্তোলনের সময় ও বিক্রয়মুল্য জানবেন,অল্প পরিমানে (৮-১০ মন,বা ৫-৬ হাজার টাকা সমতুল্য পন্য বাসের ছাদে বা কোন ট্রাকের কিছু অংশে পরিবহন করবেন) বিক্রয় প্রকৃয়া শুরু করবেন।নিজ যোগ্যতায় পরিধি ও পরিমান বাড়বেই।প্রয়োজনে কৃষকের পন্যমুল্য প্রথম কদিন আমরা দেবো যা আপনি আমাদের ফেরত দেবেন।

২।জেলার বড় বিক্রয়কেন্দ্র, জেলা শহর,বিভাগিয় শহর বা দেশের যে কোন আড়তদারদের সাথে যোগাযোগ করে ভিডিও কলের মাধ্যমে ক্ষেতেই পন্য দেখাবেন,একমত হলে মুল্য নির্ধারন করে পন্য পাঠানোর ব্যাবস্হা করবেন।

৩।ক্রয়কারির শহরের যে কোন কাছাকাছি স্হানে পন্য পরিবহন থেকে নামিয়ে ক্রয়কারির ভ্যানে পন্য বুঝিয়ে দিয়ে পন্যমুল্য বুঝে নিয়ে নিজ উৎপাদন এলাকায় চলে আসবেন।পন্য পরিবহন ও একজনের যাতায়াত ব্যায় ক্রয়কারির বহন করবেন।এখানে একজন লোকও নিয়োগ দেয়া যেতে পারে

৪।