প্রশাসন যা বলে ও ………..

লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি,শিগ্রই পেশাদার দিয়ে ঠিক করবো। আইডিয়াটি বাস্তবায়নে জরিপ চলছে ব্যাক্তগত প্রচেষ্টায়।ঢাকা এবং অপর যে কোন একটি জেলা শহরে(মানিকগঞ্জ অগ্রাধিকার পাবে।আমার পূর্বপুরুষদের জন্ম ও আমার পরিচিত স্হান) দুটি আধাপেশাধারি দল তৈরি করে মাঠে নামবো শিগ্রই ইনশাআল্লাহ্।এটা আমার বা আমাদের স্বেচ্ছাসেবী প্রকল্প।ব্যবহারে ব্যবসায়িক,সামাজিক,পারিবারিক লাভবান হবেন আপনারা

সরকার,বেসরকার বা আন্তর্জাতিক কোন অর্থনৈতিক সাহায্য সহায়তার প্রয়োজন নেই,প্রয়োজন কিছু পরামর্শ ও কৃষকের নিরাপত্তার আকান্খা।যোগাযোগ করা হচ্ছে কয়েকজন জেলা প্রশাসকের সঙ্গে(দু একজন উপজেলা নির্বাহি সহ),দেখা যাক কতটুকু সহায়তা পাই।তালিকা প্রকাশ করা হবে। তারপর যোগাযোগ করা হবে মন্ত্রনালয়ে এবং সবশেষে মিডিয়া ও জনসাধারনে।

বিভাগ, জেলা ও থানা পর্যায়ের প্রশাসনে কোনো নির্বাচিত কর্মকর্তা নেই; সরকার নিযুক্ত প্রশাসকদের অধীনে এসব অঞ্চল পরিচালিত হয়ে থাকে।   সরকারের ইউনিয়ন বা উপজেলা জেলা প্রশাসক কর্মকর্তাদের সহায়তার প্রয়োজন।মাঠ পর্যায়ে কিছু সচেতনতা ও ব্যাবহার পদ্ধতি অনুধাবনে। কৃষক,জেলে,কুমার ক্ষুদ্র শিল্পের ক্রয় – বিক্রয়ের জন্য আমরা তৈরি করে দেবো প্রতি ইউনিয়নের জন্য।একবার কৃষক বা তার পরিবার বিষয়টি বুঝে গেলে কৃষক গোষ্ঠির কেউ বা তাদের পরিবারের সদস্য কেউ সাইটটি পরিচালিত করবে।আধুনিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন কে আমরা কাজে লাগাতে একটি লাভহীন প্রকল্প পরীক্ষামুলক শুরু করতে যাচ্ছি।

কৃষিতে আমাদের উৎপাদন বেড়েছে,কৃষকের উন্নয়ন হয়নি।ভোক্তারা মধ্যস্হভোগীদের হাতে জিম্মি। সরকার কৃষি বিষয়ে অত্যন্ত আন্তবিক,তবে কৃষি পন্য উৎপাদন ও কৃষকদের ঋন বিষয়ে যতটা আন্তরিক,কৃষি পন্য বিক্রয়ে কেউ তেমন ভাবে এগিয়ে আসছেন না।সঠিক দামে পন্য যদি কৃষক বিক্রয় করতে না পারে এবং ভোক্তারাও যদি ভেজালমুক্ত ও অল্প দামে পন্য না পায় তবে বাড়তি উৎপাদন ও ঋনের সুবিধায় কৃষক ভোক্তা কোনো গোষ্ঠিই লাভবান হয় না।লাভবান হয় গুটিকত মধ্যস্হকারিরাই।তাই আমি বা আমরা এ প্রকল্প করবোই ইনশাআল্লাহ্।

সাইটি তৈরি,রক্ষনাবেক্ষন,প্রাথমিক জরিপে ১০,০০০০০লক্ষ টাকা প্রথম বাজেট।২য় বাজেট দুটি জেলার গড় ১০০x১০০০০ টি ইউনিয়নের জন্য ১০,০০০০০লক্ষ প্লাস।৩য় বাজেট(হয়তো সকল ইউনিয়নে প্রয়োজন পরবে না) ৪৪৫০x১০০০০ ।প্রতিটি ইউনিয়নের  প্রাথমিক পন্য ক্রয়কারিদের প্রয়োজনে ১০,০০০টাকা পন্য ক্রয়ে দেয়া হবে(কৃষক প্রতিনিধি)।সুদবিহীন ফেরতযোগ্য।বিশ্বাসের ভিত্তিতে দেবো,জামানত প্রয়োজন নেই। দেশের সকল ইউনিয়নে ১ জন করে।  সকলের মতামত ও সচেতনদের অংশগ্রহন কাম্য। আমি নিজের ক্ষুদ্র অর্থনৈতিক ক্ষমতায় কাজ করতে চাই,কাজ করাতে চাই।একটি নিয়ম তৈরি করতে চাই।কৃষকের মেরুদন্ড মজবুত করে ভোক্তা শ্রেনীকে ন্যায্য মুল্যে ও তরতাজা ভ্যেজালবিহীন খাদ্য পন্যে পরিপূর্ন পুষ্টি দিতে চাই।গুটিকতক মধ্যস্হভোগীর জাল থেকে আমরা মুক্ত হতে চাই। ১৭ কোটি জনতার দেশ একটি বিশাল শক্তি।প্রয়োজন সমন্নয়।তাই নেটের মাধ্যমে নিজের মেধা সময় অর্থ দিয়ে দেশর মানুষের জন্য কিছু করবো।সেই চেষ্টার অংশ এই ধারনা ।এখানে কারো কোন অর্থ ব্যায়ের প্রয়োজন পরবে না।কাচাবাজারের উর্ধমুল্য ও ভ্যেজাল সব্জি কেনার মতো সময়ের অপচয়ও হবে না।প্রয়োজন একটু ধের্য ও পরিবারকে পঙ্গুত্বের হাত থেকে রক্ষার ভালোবাসা।

কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী নিয়ে ৫-৬ জনের দুটি কমিটি করবো।তাদের  কাজের  অংশে থাকবে -জরিপ করা এবং ক্রয় ও বিক্রয় এলাকায় ৫ জন করে প্রতিনিধি নির্বাচন করা।যেমন –